নিহত জামায়াত নেতা রেজাউল করিম
শেরপুরে জামায়াত নেতা রেজাউল করিম নিহতের ঘটনায় বিএনপি প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেলকে আসামি করে মামলা হয়েছে। শুক্রবার মধ্যরাতে ঝিনাইগাতি থানায় মামলা হয়েছে বলে স্বীকার করেছেন শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান।
নিহত জামায়াত নেতা রেজাউল করিমের স্ত্রী মার্জিয়ার করা মামলায় ২৩৪ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অজ্ঞাত আসামি রয়েছেন আরও ৫০০ জন। মামলায় প্রধান হুকুমের আসামি করা হয়েছে ওই আসনে বিএনপি প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেলকে।
এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন জামায়াত ইসলামীর শেরপুর জেলা আমির হাফিজুর রহমান।
স্থানীয়রা জানায়, ২৮ জানুয়ারি বিকালে ঝিনাইগাতী উপজেলা মিনি স্টেডিয়াম মাঠে শেরপুর-৩ আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নিয়ে নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে উপজেলা প্রশাসন। অনুষ্ঠানে সামনের সারিতে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে জামায়াত ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে প্রথমে বিতণ্ডা পরে তা দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়।
সংঘর্ষের এক পর্যায়ে সন্ধ্যার দিকে ঝিনাইগাতি বাজারে গুরুতর আহত হন শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল করিম। তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ঝিনাইগাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে শেরপুর সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে রাত ১০টার দিকে তিনি মারা যান।
জামায়াতের জেলা আমির হাফিজুর রহমান বলেন, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী।
এ বিষয়ে বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল বলেন, যে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি ঘটেছে তা জামায়াতের কারণেই হয়েছে। এখানে আমাকে যে আসামি করা হয়েছে তা স্পষ্ট না, কারণ আমি ওই সময় ঘটনাস্থলে ছিলাম না। নির্বাচনকে ব্যাঘাত ঘটানোর জন্যই জামায়াত পরিকল্পিতভাবে এ ঘটনা ঘটিয়েছে।
জৈন্তা বার্তা/আরআর




