ছবি : নিজস্ব
বিরোধী দলের ডাকা হরতাল ও অবরোধে প্রভাব পড়েছে সুনামগঞ্জ তাহিপুর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামীণ হাটবাজারে। প্রতিটি বাজারে লাগামহীন নিত্যপণ্যের দাম। প্রতিদিন বাড়ছে কোন না কোন পণ্যের মূল্য। হরতাল আর অবরোধের দোহাই দিয়ে আরেক দফা বেড়েছে নিত্যপণ্যের দাম। এতে করে অসহনীয় দুর্ভোগে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষজন।
হরতাল এবং অবরোধের তিন-চার দিনের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে প্রতি কেজিতে ৩০ থেকে ৪০ টাকা। আগে পেঁয়াজ ৭০ থেকে ৮০ টাকা বিক্রি হলেও শুক্রবার বাজারে তা ১২০ থেকে ১৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও কাঁচাবাজারে সব জিনিসপত্রের দাম বেশি হওয়ায় ক্রেতারা পড়েছেন বেকায়দার মধ্যে।
সরেজমিনে বিভিন্ন বাজারে ঘুরে দেখা যায়, অধিকাংশ সবজির দাম এখনো প্রতি কেজি ৭০ টাকার ওপরে। টমেটোর দাম প্রতি কেজি ৮০ টাকা ছুঁয়েছে,লাউ ৯০ টাকা, শীতকালীন সবজি বাজারে আসলে কিছুটা দাম কমবে বলে মনে করেন বিক্রেতারা।
এছাড়া বাজারে ডাল, আটা, ময়দা ও সয়াবিন তেলের মতো নিত্যপণ্যের দাম কমেনি। ক্রেতাদের অভিযোগ, বাজার তদারকির অভাবেই এভাবে বেশি দাম নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে খুচরা বিক্রেতারা।
আজিজুল হক নামে এক ক্রেতা বলেন, দেশি পেঁয়াজ কিনেছি ৮০ টাকা করে এখন সেই পেঁয়াজ কিনতে হচ্ছে ১২০ টাকায়। পেঁয়াজ, চাল, তেল, মুরগিসহ বেশ কয়েকটি পণ্যের দাম বেড়েই চলেছে। এভাবে দাম বাড়তে থাকলে সীমিত আয়ের লোকজনদের না খেয়ে থাকতে হবে।
তাহিরপুর সদর বাজার ব্যবসায়ীরা জানান, হরতাল অবরোধ নয়, এলসির কারণে পেঁয়াজের দাম সহ কিছু জিনিসের দাম বাড়ছে। তার উপর চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ না থাকায় নিত্যপণ্যের দাম বাড়ছে। এছাড়া অবরোধ হরতালের কারণে অনেক পণ্যবাহী গাড়ি আসতে না পাড়ায় উপজেলা পর্যায় কিছুটা দাম বৃদ্ধি পেয়েছে, সময়ের সাথে সাথে জিনিসপত্রের দাম সহনীয় হবে আশা করছি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সরকার নির্ধারিত দামে আলু ও পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে কিনা তা তদারকির জন্য জেলা ও উপজেলা প্রশাসনকে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়। কিন্তু সরকার নির্ধারিত সেই দামে আলু ও পেঁয়াজ বাজারে বিক্রি হচ্ছে না।
তাহিরপুর বাজার বনিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক পারভেজ জামান বলেন, হরতাল অবরোধ খানিকটা গ্রামীন বাজারে প্রভাব পড়েছে কারন আমাদের ব্যাবসায়ীরা ভৈরব, মোহনগন্জ, সহ বিভিন্ন মোকাম থেকে তারা মালামাল ক্রয় করে থাকেন। দুই তিন দিন মালামাল আসতে না পারায় কিছুটা দাম বাড়লেও সময়ের সাথে সাথে তা ঠিক হয়ে যাবে।প্রশাসনের কাছে আমার অনুরুধ থাকবে বাজার মনিটরিং করলে হয়তোবা বজার দর টা নিয়ন্ত্রণ থাকবে
এম সি




