উত্তরবঙ্গমুখী মানুষের ঢল, যমুনা সেতু এলাকায় থেমে থেমে যান চলাচল
মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ০৫:০৫ PM

উত্তরবঙ্গমুখী মানুষের ঢল, যমুনা সেতু এলাকায় থেমে থেমে যান চলাচল

জৈন্তা বার্তা ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৬/০৫/২০২৬ ০৩:৪৩:৪৬ PM

উত্তরবঙ্গমুখী মানুষের ঢল, যমুনা সেতু এলাকায় থেমে থেমে যান চলাচল

সংগৃহীত


ঈদকে কেন্দ্র করে উত্তরবঙ্গমুখী মানুষের ঢল নেমেছে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে। তবে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ, টানা বৃষ্টি এবং রাতে একাধিক গাড়ি বিকল হয়ে পড়ায় মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে সৃষ্টি হয়েছে দীর্ঘ যানজট। প্রায় ২২ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে থেমে থেমে যান চলাচল করায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ঘরমুখো যাত্রীরা।

সোমবার রাত থেকে যমুনা সেতুর টোল প্লাজা এলাকা থেকে রাবনা পর্যন্ত মহাসড়কে যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা যায়। মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত পরিস্থিতি অনেকটা একই ছিল। ধীরগতিতে চলতে থাকা এই সড়কে দূরপাল্লার বাসের পাশাপাশি ব্যক্তিগত গাড়ি, মাইক্রোবাস, মোটরসাইকেল ও খোলা ট্রাকেও যাত্রীদের নিজ গন্তব্যে যেতে দেখা গেছে।গোড়াই, মির্জাপুর, টাঙ্গাইল বাইপাস, রাবনা বাইপাস, এলেঙ্গা ও যমুনা সেতুর পূর্ব পাড় এলাকায় রাত থেকেই যানবাহনের চাপ বাড়তে থাকে। দীর্ঘ সময় সড়কে আটকে থাকায় নারী, শিশু ও বয়স্ক যাত্রীরা সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েন।

পরিস্থিতি সামাল দিতে মহাসড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রায় এক হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করেছে জেলা পুলিশ। ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে যমুনা সেতু এলাকায় বাড়ানো হয়েছে বিশেষ নজরদারি। পাশাপাশি চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতি ঠেকাতে মহাসড়কে জোরদার করা হয়েছে টহল কার্যক্রম।যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, রোববার রাত ১২টা থেকে সোমবার রাত ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সেতু পার হয়েছে ৫৩ হাজার ২৪৬টি যানবাহন। এ সময় টোল আদায় হয়েছে ৩ কোটি ৭৭ লাখ ৫৮ হাজার ২০০ টাকা।

এর মধ্যে উত্তরবঙ্গমুখী ৩২ হাজার ১৮৬টি যানবাহন থেকে আদায় হয়েছে ১ কোটি ৯৬ লাখ ৪০ হাজার ৭০০ টাকা। আর ঢাকামুখী ২১ হাজার ৬০টি যানবাহনের বিপরীতে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৮১ লাখ ১৭ হাজার ৫০০ টাকা।যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, রাতের বৃষ্টি ও অতিরিক্ত যানবাহনের চাপের কারণে কিছুটা জট তৈরি হয়েছে। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জৈন্তাবার্তা/সুলতানা