শিশু রিফাত হত্যা মামলায় ৫ জনের মৃ ত্যু দ ণ্ড, ৫ জনের কা রা দ ণ্ড
রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৮:৪০ PM

শিশু রিফাত হত্যা মামলায় ৫ জনের মৃ ত্যু দ ণ্ড, ৫ জনের কা রা দ ণ্ড

জৈন্তা বার্তা ডেস্ক

প্রকাশিত: ২১/০৬/২০২৬ ০৭:০৯:৩৫ PM

শিশু রিফাত হত্যা মামলায় ৫ জনের মৃ ত্যু দ ণ্ড, ৫ জনের কা রা দ ণ্ড

সংগৃহিত


বগুড়ার শাজাহানপুরে মুক্তিপণের দাবিতে অপহরণের পর আট বছরের শিশু রিফাত হোসেনকে হত্যার দায়ে পাঁচ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় অপরাধ সংঘটনের সময় অপ্রাপ্তবয়স্ক থাকায় আরও পাঁচ আসামিকে শিশু আইন অনুযায়ী ১০ বছর করে কারাদণ্ড (আটকাদেশ) দেওয়া হয়েছে।

আজ রোববার দুপুরে বগুড়ার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ ও শিশু আদালত-১-এর বিচারক মো. আনোয়ারুল হক এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন— আবুল কালাম আজাদ, সেলিম ইসলাম, মেহেদী হাসান, রাজু মিয়া ওরফে পাঁচফুল এবং সাগর। তাদের প্রত্যেককে ২ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া অপহরণ ও আলামত গোপনের অভিযোগে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডসহ বিভিন্ন মেয়াদের সাজা প্রদান করা হয়েছে।

মামলার অপর পাঁচ আসামি— সজিব হাসান, মফিজুল ইসলাম ওরফে বাচ্চু মিয়া, জাহিদ হাসান, বোরহান আলী ও বায়েজীদ হোসেন— অপরাধের সময় অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় শিশু আইন, ২০১৩ অনুযায়ী ১০ বছর করে কারাদণ্ড পেয়েছেন। বর্তমানে তাদের বয়স ২৬ বছরের বেশি হওয়ায় আদালত তাদের বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৮ সালের ১৫ জুলাই শাজাহানপুর উপজেলার খাদাস হাটখোলা এলাকার প্রবাসী এনামুল হকের ছেলে রিফাত হোসেনকে অপহরণ করা হয়। প্রতিবেশী আবুল কালাম আজাদ এক লাখ টাকা ধার না পেয়ে অপহরণের পরিকল্পনা করেন। পরে মুক্তিপণ দাবি করা হলেও অপহরণের তিনদিন পর ১৮ জুলাই পোয়ালগাছা ব্রিজের নিচ থেকে রিফাতের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় রিফাতের বাবা এনামুল হক শাজাহানপুর থানায় ১১ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। বিচার চলাকালে এক আসামির মৃত্যু হওয়ায় তার নাম মামলা থেকে বাদ দেওয়া হয়। বাকি ১০ আসামির মধ্যে ৯ জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

দীর্ঘ আট বছর পর রায় পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন রিফাতের স্বজনরা। রিফাতের বাবা এনামুল হক বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, আমি এই রায়ে সন্তুষ্ট। উচ্চ আদালতেও যেন এই রায় বহাল থাকে এবং দ্রুত কার্যকর হয়।’

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর পাবলিক প্রসিকিউটর মো. আলী আসগর বলেন, ‘রাষ্ট্রপক্ষ সন্দেহাতীতভাবে অপরাধ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে। এই রায় সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি অপরাধীদের জন্য কঠোর বার্তা হিসেবে কাজ করবে।









cvnvwo X‡j we*ch©¯—  RvdjsGi ch©Ub e¨emvqxiv










জৈন্তাবার্তা/সুলতানা