ছবি:সংগৃহীত
সিলেটে বৈধ লাইসেন্স ছাড়াই বছরের পর বছর স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগে ১৪টি বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ। বাংলাদেশ মেডিকেল প্র্যাকটিস অ্যান্ড প্রাইভেট ক্লিনিকস অ্যান্ড ল্যাবরেটরিজ (রেগুলেশন) অর্ডিন্যান্স, ১৯৮২-এর ৮ নম্বর ধারা অনুযায়ী এসব প্রতিষ্ঠানকে অবৈধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, জনস্বাস্থ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং চিকিৎসা সেবায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে শিগগিরই এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে অবৈধ কার্যক্রম বন্ধে পরিচালিত হবে ভ্রাম্যমাণ আদালত ও বিশেষ অভিযান।
প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, মির্জাজাঙ্গালের সেইফ ওয়ে হাসপাতাল ২০১৮-১৯ অর্থবছরের পর থেকে লাইসেন্স নবায়ন করেনি। রয়েল শিশু হাসপাতাল ও নিরাময় পলি ক্লিনিক ২০২০-২১ অর্থবছর থেকে এবং আল-আমিন জেনারেল হাসপাতাল ২০২১-২২ অর্থবছর থেকে নবায়ন ছাড়াই কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
এ ছাড়া সেন্ট্রাল হাসপাতাল, মডার্ন জেনারেল হাসপাতাল ও আরোগ্যা পলি ক্লিনিক ২০২২-২৩ অর্থবছর থেকে খেলাপি রয়েছে। ফেয়ার হেলথ হাসপাতাল, সুরমা ভ্যালি হাসপাতাল ও মেট্রো মেডিকেয়ার ক্লিনিক ২০২৩-২৪ অর্থবছর থেকে এবং ডেল্টা স্পেশালাইজড হাসপাতাল ও কেয়ার হাসপাতাল ২০২৪–২৫ অর্থবছর থেকে লাইসেন্স নবায়ন না করেই সেবা দিয়ে আসছে।
সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, শিবগঞ্জের সিলেট ফেক্টো সেন্টার এবং টুকের বাজারের সিলেট মডেল চক্ষু হাসপাতাল ও ফেকো সেন্টার কোনো ধরনের লাইসেন্স ছাড়াই সম্পূর্ণ অবৈধভাবে চিকিৎসাসেবা পরিচালনা করছে বলে প্রশাসনের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, লাইসেন্সবিহীন স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা আইন লঙ্ঘনের শামিল। তাই জনস্বার্থে এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ




