ছবি: জৈন্তা বার্তা
পর্যটননগরী শ্রীমঙ্গল রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেনের অপেক্ষায় থাকা যাত্রী, পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের অবসর সময়কে আনন্দদায়ক ও জ্ঞানসমৃদ্ধ করতে স্থাপিত ‘পাঠক কর্ণার’-এ চতুর্থ দফায় নতুন বই সংযোজন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বিকেলে শ্রীমঙ্গল পৌরসভার উদ্যোগে পাঠক কর্ণারে নতুন বই যুক্ত করা হয়। একই সঙ্গে ‘উত্তরণ’ ও দৈনিক ‘প্রতিদিনের বাংলাদেশ’-এর মৌলভীবাজার প্রতিবেদক ইসমাইল মাহমুদের পক্ষ থেকেও পাঠক কর্ণারের জন্য বই দেওয়া হয়।
জানা গেছে, ২০২৫ সালে শ্রীমঙ্গল পৌরসভার অর্থায়নে শ্রীমঙ্গল রেলওয়ে স্টেশনে পাঠক কর্ণারটি স্থাপন করা হয়। ট্রেনের অপেক্ষায় থাকা যাত্রী, পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের অবসর সময় বই পড়ার মাধ্যমে অর্থবহ করে তোলাই ছিল এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। তবে পাঠক কর্ণারে রাখা বই নিয়মিত বেহাত হয়ে যাওয়ায় এরই মধ্যে কয়েক দফায় নতুন বই সংযোজন করতে হয়েছে।
নতুন বই সংযোজনকালে উপস্থিত ছিলেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসক মো. জিয়াউর রহমান, পৌর প্রকৌশলী জহিরুল ইসলাম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্লাবন পাল, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা শোয়েব আহমদ চৌধুরী, শ্রীমঙ্গল রেলওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাহাঙ্গীর আলম এবং শ্রীমঙ্গল রেলস্টেশনের স্টেশন মাস্টার শাখাওয়াত হোসেনসহ সংশ্লিষ্টরা।
শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মো. জিয়াউর রহমান বলেন, ‘পাঠক কর্ণারে সাহিত্য, ইতিহাস, সংস্কৃতি, বিজ্ঞানসহ বিভিন্ন বিষয়ের বই পর্যায়ক্রমে যুক্ত করা হচ্ছে। ট্রেনের অপেক্ষায় থাকা যাত্রী, পথচারী ও স্থানীয় সাধারণ মানুষ যাতে অবসর সময়ে বই পড়ার সুযোগ পান, সেই লক্ষ্যেই শ্রীমঙ্গল পৌরসভার মাধ্যমে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।’
তিনি পাঠক কর্ণারে থাকা বই সংরক্ষণ এবং এ উদ্যোগকে এগিয়ে নিতে যাত্রী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতা কামনা করেন।
বই বেহাত হওয়ার পরও পাঠক কর্ণারের কার্যক্রম বন্ধ না করে নতুন বই সংযোজনের উদ্যোগকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন স্থানীয়রা। তাদের প্রত্যাশা, সম্মিলিত সচেতনতা ও সহযোগিতায় শ্রীমঙ্গল রেলস্টেশনের এই পাঠক কর্ণারটি বইপ্রেমী মানুষের জন্য একটি স্থায়ী জ্ঞানচর্চার কেন্দ্র হয়ে উঠবে।
জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ




