ছবি:সংগৃহীত
‘গ্রিন-ক্লিন সিলেট’ গড়ে তুলতে নগরীর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের পাশাপাশি পুকুর ও জলাশয় পুনরুদ্ধারে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।
তিনি বলেন, নগরীর যেসব পুকুর ও জলাশয় দীর্ঘদিন ধরে অপরিচ্ছন্ন অবস্থায় রয়েছে, সেগুলো পর্যায়ক্রমে পরিষ্কার ও পুনরুদ্ধার করা হবে। প্রয়োজন হলে এসব জলাশয় খননেরও উদ্যোগ নেওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বিকেলে উত্তর সুরমা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
সিসিক প্রশাসক বলেন, ‘আমরা গ্রিন-ক্লিন সিলেট গড়তে চাই। এ জন্য নগরীর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় পুকুর ও জলাশয় পুনরুদ্ধারেও আমরা কাজ করছি।’
কুমারগাঁও বাসস্ট্যান্ডের পুকুরের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যে নগরীর কয়েকটি পুকুর ও জলাশয় পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় কুমারগাঁও বাসস্ট্যান্ডের পুকুরটিও কচুরিপানা ও আবর্জনামুক্ত করে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়া হবে।’
তিনি আরও বলেন, পরিচ্ছন্ন জলাশয় নগরীর সৌন্দর্য বৃদ্ধির পাশাপাশি মশার প্রজনন কমাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই জলাশয় পরিষ্কারের পাশাপাশি নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করা জরুরি।
নগরীর পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে নগরবাসী ও ব্যবসায়ীদেরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, শুধু সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে পরিচ্ছন্ন নগর গড়ে তোলা সম্ভব নয়। সবাইকে যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা না ফেলে নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য ফেলতে হবে।
এর আগে তিনি কুমারগাঁও বাসস্ট্যান্ডের বিভিন্ন স্থান ঘুরে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন এবং কার্যক্রম আরও জোরদার করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন। এ সময় পরিবহন মালিক-শ্রমিক নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।
পরে তিনি নগরীর ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের সোনারপাড়া এলাকা পরিদর্শন করেন। সেখানে এলাকার বিভিন্ন নাগরিক সমস্যা ও অবকাঠামোগত বিষয় সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।
পরিদর্শনকালে সিসিকের প্রধান প্রকৌশলী মো. আলী আকবর, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ একলিম আবদীনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ




