সংগৃহীত
হাজারো মানুষের শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও অশ্রুসিক্ত বিদায়ে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন মাধবপুর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি হাজী মো. অলিউল্লাহ। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় মাধবপুরের হোটেল হাইওয়ে ইন মাঠে তাঁর নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে হাড়িয়া গ্রামে মা-বাবার কবরের পাশে তাঁকে দাফন করা হয়।
জানাজায় হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর-চুনারুঘাট) আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ মো. ফয়সল, বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী, রাজনৈতিক সহকর্মী, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষসহ এলাকার হাজারো মানুষ অংশ নেন। জানাজা শেষে উপস্থিত মানুষ মরহুম হাজী অলিউল্লাহর প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান। পরে একটি শোকাবহ পরিবেশে তাঁর মরদেহ হাড়িয়া গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে মা-বাবার কবরের পাশে তাঁকে দাফন করা হয়।জানাজায় অংশ নেওয়া অনেকেই হাজী অলিউল্লাহর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের কথা স্মরণ করেন। তাঁর মৃত্যুতে স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে সংসদ সদস্য সৈয়দ মো. ফয়সল বলেন, হাজী অলিউল্লাহ বিএনপির একজন একনিষ্ঠ ও নিবেদিতপ্রাণ কর্মী ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে দলের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। তিনি বলেন, অলিউল্লাহ ছিলেন সৎ, কর্মঠ ও ধৈর্যশীল একজন মানুষ। মানুষের সেবাকে তিনি সবসময় গুরুত্ব দিতেন। তাঁর ব্যক্তিজীবনে কোনো চাহিদা ছিল না; অত্যন্ত সহজ-সরল জীবনযাপন করতেন।
সৈয়দ মো. ফয়সল আরও বলেন, হাজী অলিউল্লাহর মধ্যে কোনো হিংসা-বিদ্বেষ ছিল না। মানুষের প্রতি তাঁর ছিল আন্তরিকতা ও পরোপকারী মনোভাব। রাজনৈতিক সহকর্মীদের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিল অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ। তাঁর মতো একজন নিবেদিতপ্রাণ রাজনৈতিক সহকর্মীর মৃত্যু দলের জন্য বড় শূন্যতা তৈরি করেছে।জানাজা ও দাফন শেষে পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান উপস্থিত রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও এলাকাবাসী। তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।
জৈন্তাবার্তা/সুলতানা




