সম্প্রসারিত নগরকে আধুনিক ও নাগরিকবান্ধব করতে চাই: সিসিক প্রশাসক
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৯ পূর্বাহ্ন

সম্প্রসারিত নগরকে আধুনিক ও নাগরিকবান্ধব করতে চাই: সিসিক প্রশাসক

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৪/১০/২০২৬ ১১:৫৩:১৫ অপরাহ্ন

সম্প্রসারিত নগরকে আধুনিক ও নাগরিকবান্ধব করতে চাই: সিসিক প্রশাসক

ছবি:সংগৃহীত


সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, সম্প্রসারিত নগরকে আধুনিক ও নাগরিকবান্ধব হিসেবে গড়ে তুলতে পরিকল্পিতভাবে উন্নয়নকাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। সিটি করপোরেশনে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার আগে এসব এলাকা ইউনিয়ন পরিষদের অধীনে ছিল। তখন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) মাধ্যমে ৬ থেকে ৮ ফুট প্রশস্ত সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে। বর্তমানে এসব এলাকায় ড্রেনসহ কমপক্ষে ২০ ফুট প্রশস্ত সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকেলে সিলেট নগরের তেমুখী এলাকার একটি কমিউনিটি সেন্টারে ৩৭, ৩৮ ও ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ওয়ার্ডগুলোর সামগ্রিক উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও টেকসইকরণ, হোল্ডিং ট্যাক্স চালু এবং আনুষঙ্গিক বিষয় নিয়ে এ সভার আয়োজন করা হয়।

সিসিক প্রশাসক বলেন, নতুন ওয়ার্ডগুলোতে নগরের অন্যান্য এলাকার মতো নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে বিশেষ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে এসব এলাকায় অনেক সড়ক, ড্রেন ও স্ট্রিটলাইট স্থাপনের কাজ শেষ হয়েছে। কিছু কাজ চলমান রয়েছে, আর কিছু কাজ টেন্ডার প্রক্রিয়ায় আছে। পর্যায়ক্রমে সব উন্নয়নকাজ বাস্তবায়ন করা হবে। বর্তমানে ৩৭, ৩৮ ও ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডে প্রায় ১১০ কোটি টাকার উন্নয়নকাজ চলমান রয়েছে।

তিনি বলেন, “আমরা টেকসই উন্নয়ন চাই। সড়কগুলো আরসিসি দিয়ে এমনভাবে নির্মাণ করা হচ্ছে, যাতে দীর্ঘদিন যানবাহন চলাচলের উপযোগী থাকে। এ জন্য সড়কের প্রশস্ততা কমপক্ষে ২০ ফুট করার চেষ্টা করা হচ্ছে।”

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, বিভিন্ন ইউনিয়নের অংশ সিলেট সিটি করপোরেশনের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় এসব এলাকার বাসিন্দারাও নগরের অন্য এলাকার বাসিন্দাদের মতো সব ধরনের নাগরিক সুবিধা পাওয়ার অধিকার রাখেন। সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে তাদের প্রয়োজনীয় নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন ২৭টি ওয়ার্ড নিয়ে সিলেট সিটি করপোরেশনের কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। বর্তমানে এর সঙ্গে আরও ১৫টি ওয়ার্ড যুক্ত হয়েছে। তবে ওয়ার্ডের সংখ্যা বাড়লেও সে অনুযায়ী সিসিকের নিজস্ব আয় বাড়েনি। অথচ নিজস্ব আয় থেকেই সিটি করপোরেশনের উন্নয়ন কার্যক্রম ও নাগরিক সেবা পরিচালনা করতে হয়। তাই নগরের উন্নয়ন ও নাগরিক সেবার পরিধি বাড়াতে সিসিকের নিজস্ব আয় বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।

এ সময় তিনি নগরবাসীকে নিয়মিত হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধের মাধ্যমে সিটি করপোরেশনের উন্নয়ন কার্যক্রমে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।

সিসিকের সচিব মো. আশিক ন

জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ



শীর্ষ সংবাদ:

সম্প্রসারিত নগরকে আধুনিক ও নাগরিকবান্ধব করতে চাই: সিসিক প্রশাসক
জৈন্তাপুরে ৭৩ বার্কি নৌকা ধ্বং/স, সাড়ে ৮ হাজার ঘনফুট বালু নিলামে বিক্রি
৪২ ওয়ার্ডের প্রতিটি সড়ক উন্নয়নের আওতায় আনা হবে: সিসিক প্রশাসক
ধর্মীয় উৎসব আয়োজনে সব সম্প্রদায়ের পাশে থাকবে সিটি করপোরেশন: প্রশাসক
নির্বাচন সামনে রেখে ‘অপারেশন ক্লিনহার্ট’ অভিযানের পরিকল্পনা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
রাজনগরে পাঁচ বছরেও শেষ হয়নি সেতুর কাজ, দু/র্ভোগে ১২ গ্রামের মানুষ
মাধবপুরে সরকারি গাছ কা/টার অ/ভিযোগ অধ্যক্ষের বি/রুদ্ধে
সিলেটে হা/মের প্র/কোপে হাসপাতালে আরও শতাধিক
সবাইকে কাঁদিয়ে চলে গেছে খুদে কনটেন্ট ক্রিয়েটর দ্বীপ
সালাহউদ্দিন আহমেদের জানাজায় সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান