ছবি:সংগৃহীত
বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার এম এ সালাম বলেছেন, ‘আপনারা যারা রেড ক্রিসেন্টের পতাকাতলে এসেছেন, তাঁরা কখনো ভাববেন না, এখান থেকে কী পাচ্ছেন। মানবিক কাজে এসে প্রতিদানের হিসাব করা যায় না। আর্তমানবতার সেবায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য নিজেকে প্রস্তুত করাই জীবনের সবচেয়ে বড় পাওয়া ও অর্জন।”
তিনি বলেন, ফার্স্ট এইড ও ট্রেনিং অব ট্রেইনার্স (টিওটি) প্রশিক্ষণ অংশগ্রহণকারীদের জ্ঞানের পরিধি বাড়ানোর পাশাপাশি আত্মবিশ্বাসী করে তোলে। যেকোনো মানবিক জরুরি পরিস্থিতিতে কার্যকর ভূমিকা রাখার সক্ষমতা তৈরিতে এ প্রশিক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ। প্রশিক্ষণে অর্জিত জীবনরক্ষাকারী জ্ঞান যুব স্বেচ্ছাসেবকদের জন্য সারাজীবনের অমূল্য সম্পদ। সমাজ ও দেশের প্রতি দায়িত্ববোধ থেকে এ জ্ঞান ও দক্ষতা আজীবন কাজে লাগাতে হবে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির (বিডিআরসিএস) সিলেট ইউনিটের উদ্যোগে যুব স্বেচ্ছাসেবকদের জন্য আয়োজিত ছয় দিনব্যাপী ‘ট্রেনিং অব ট্রেইনার্স (টিওটি) অন অ্যাডভান্সড ফার্স্ট এইড’ কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সিলেট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের কার্যনির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান বদরুজ্জামান সেলিমের সভাপতিত্বে এবং ইউনিটের সেক্রেটারি মাহবুবুল হক চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন রেড ক্রিসেন্টের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের পরিচালক সাইমা ফেরদৌসী এবং আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটির (আইসিআরসি) প্রতিনিধি ড. জলিসা খানম।
সভাপতির বক্তব্যে বদরুজ্জামান সেলিম বলেন, সিলেট একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ অঞ্চল। যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে রেড ক্রিসেন্টের যুব স্বেচ্ছাসেবকেরা সম্মুখসারিতে থেকে কাজ করেন। অ্যাডভান্সড ফার্স্ট এইড টিওটি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যুব সদস্যরা এখন দক্ষ প্রশিক্ষক হিসেবে গড়ে উঠেছেন। তাঁরা মাঠপর্যায়ে অর্জিত জ্ঞান ছড়িয়ে দিয়ে আরও দক্ষ ও
জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ




