ছবি:সংগৃহীত
সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিউক) প্রধান কার্যালয়ের পাশাপাশি একাধিক জোনাল কার্যালয় স্থাপন এবং ‘সিউক স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা নিয়ে কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) রেজাউল হাসান কয়েস লোদী।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সিউকের কার্যালয়ে বাংলাদেশ মাল্টিমিডিয়া জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন (বিএমজেএ) সিলেট বিভাগীয় কমিটির সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক অংশীজন সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সিউক চেয়ারম্যান বলেন, সিউকের আইনেই একাধিক জোনাল কার্যালয় স্থাপনের সুযোগ রয়েছে। স্থায়ী কার্যালয়টি প্রধান কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হবে। তবে উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের পূর্ণাঙ্গ অধিক্ষেত্র এখনো চূড়ান্ত না হওয়ায় আপাতত সিটি করপোরেশন এলাকাকে কেন্দ্র করে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
তিনি বলেন, আইন অনুযায়ী সিটি করপোরেশন-সংলগ্ন এলাকা ও পর্যটন অঞ্চলগুলোর সার্বিক উন্নয়ন এবং সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে পরিচালনার সুস্পষ্ট বিধান রয়েছে। পুরো নগরকে ঘিরে বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে কাজ চলছে, যা শিগগিরই দৃশ্যমান হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সভায় যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন সিউকের নির্বাহী পরিচালক (সিনিয়র সহকারী সচিব) মো. সাদিউর রহিম জাদিদ এবং বিএমজেএ সিলেট বিভাগীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুল ইসলাম।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন একাত্তরের কথার মাল্টিমিডিয়া ইনচার্জ মো. রাজু আহমদ, সিনিয়র সাংবাদিক শাহ মো. কয়েস আহমদ, বিএমজেএর সিনিয়র সহসভাপতি এএইচ আরিফ, দৈনিক ইত্তেফাকের স্টাফ রিপোর্টার অনিতা সিংহা, রত্না আহমদ তামান্না, সংগঠনের কোষাধ্যক্ষ বাবর জোয়ারদার, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক রুবেল আহমদ, রেজওয়ান আহমদ, দপ্তর সম্পাদক জাবেদ এমরান, উৎফুল বড়ুয়া, তারেক আহমদ, তৌফিকুর রহমান হাবিব, বাবুল খান মুন্না, প্রবাস বাংলা ইউকের শাহীন আলম, সৈয়দ রাসেল, জাহিদ উদ্দিন, আশিকুর রহমান রানা, সাঈদুর রহমান, আশরাফুল ইসলাম ও কৃতিশ তালুকদার।
জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ




