মাধবপুরে আমন ধান-শীতকালীন সবজিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি। ছবি: জৈন্তা বার্তা
ঘূর্ণিঝড় মিধিলির প্রভাবে গতকাল শুক্রবার দিনভর টানা বৃষ্টিপাতে হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলা সদর সহ ১১টি ইউনিয়নের কৃষিজমিতে পাকা ধান ও শীতকালীন সবজির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তা ছাড়া প্রভাব পড়েছে বিএডিসি ইটখোলা বীজ উৎপাদন কেন্দ্রে আমন ধান ও আলু চাষের জমি এবং চা জনগোষ্ঠী এলাকার মানুষের জনজীবনে। শুক্রবার ভোর থেকে টানা বৃষ্টিপাতে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে শীতকালীন শাকসবজি ও বীজতলায়।
মাধবপুর উপজেলা কৃষি অফিসের দেওয়া তথ্য মতে, উপজেলায় আমন ধান ও শীতকালীন সবজি ফুলকপি, বাঁধাকপি, লাল শাক, শিম, ধনেপাতা ও টমেটোর ক্ষয়ক্ষতি এবং সরিষার বীজতলা আংশিক নষ্ট হতে পারে।
জানা যায়,ঘূর্ণিঝড় 'মিধিলি'র কারণে মাধবপুর ইটাখোলা বিএডিসি সহ উপজেলার প্রায় ২০ থেকে ৩০ হেক্টর ফসলি জমির ক্ষতির আশঙ্কা করা যেতে পারে।
বিএডিসি, ইটাখোলা-এর সিনিয়র সহকারী পরিচালকের সাথে কথা বলে জানা যায়, প্রায় ২৭.৯৩ হেক্টর জমিতে আমন ধান ও আলু চাষ করা হয় তার মধ্যে ০৭ হেক্টর জমিতে আমন বীজ ফসলের ধান গাছ ও ০২ হেক্টর আলু চাষকৃত জমি বৃষ্টিপাতে পানিতে ডুবে যায়।
উপজেলার মোক্তার হোসেন নামে এক কৃষকের সাথে কথা বললে জানান, তার প্রায় ১৫ হেক্টর জমির আমন ধানের ক্ষয় ক্ষতি হয়।
দিলীপ নামের অপর কৃষকের ২০ হেক্টর জমির আমন ধান মাটিতে পড়ে যায়।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আল মামুন হাসান জানান, ঘূর্ণিঝড় মিধিলির প্রভাবে উপজেলার কোথাও কোন ফসলী জমির ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না এই বিষয়ে অফিস থেকে খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায়, কিছু নিচু বোরো জমির ও শীতকালীন সবজির ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে, তাছাড়া নিচু জমি গলোর পানি নিষ্কাশনের ভালো ব্যবস্থা থাকলে আলু জমির তেমন ক্ষয়ক্ষতি হবে না বলে মনে করছেন তিনি।
JA




