ছবি: বেদখল ফুল ইসলামের জমি, মিজানুর রহমান মেম্বার
গোলাম মোস্তফা চৌধুরী নামের এক ভূমি কর্মকর্তার যোগসাজসে ভুয়া ওয়ারিশ সাজিয়ে শচীন্দ্র গোস্বামী নামের এক ব্যক্তির জমি বিক্রয় ও হস্তান্তরের অভিযোগ করেছেন দীর্ঘদিন আগে ওই ভূমি ক্রয়মুলে ওয়ারিশ ও ভোগ দখলকার ফুল ইসলাম। ফুল ইসলামের দাদা শরীফ উদ্দিন প্রায় ৬০ বছর আগে আনরেজিস্ট্রি দলিল মুলে ওই ভূমি শচিন্দ্র গোস্বামী নামের এক ব্যক্তির কাছ থেকে ক্রয় করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায় মাধবপুর উপজেলার আন্দিউড়া ইউনিয়নের হারিয়া মৌজার জেএল নং ৭০/৬৮ এর ৩০৬ নং এসএ খতিয়ানের ৯ শতক পরিমান জমি শচিন্দ্র গোস্বামী নামের এক ব্যক্তির কাছ থেকে প্রায় ৬০ বছর আগে ক্রয় করেন অভিযোগকারী ফুল ইসলামের দাদা শরীফ উদ্দিন । সময় পরিক্রমায় তার উত্তরাধীকারীরা ওই জমিতে মাটি ভরাট করে বাড়িঘর নির্মানপুর্বক ভোগ দখল করে আসা অবস্থায় বিগত ভূমি জরিপের সময় উক্ত ভূমিতে ফুল ইসলামকে দখলকার পেয়ে তার নামে তসদীককৃত পর্চা প্রদান করেন।কিন্তু ওই ভূমির উপর লুলোপ দৃষ্টি পড়ে আন্দিউড়া ইউনিউনের মেম্বার যুবদল নেতা ও জমির দালাল মিজানুর রহমানের।মিজানুর রহমান আন্দিউড়া গ্রামের বাসিন্দা সিলেট জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসে কর্মরত ভূমি কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা চৌধুরী লিটনের যোগসাজশে আন্দিউড়া মৌজায় গড়ে উঠা আকিজ গ্লাস ইন্ডাস্ট্রিজ এর হিসাব রক্ষন কর্মকর্তা হাড়িয়া গ্রামের আলী আহাম্মদের ছেলে জাকির হোসেনের সহযোগীতায় ভূয়া দাতা সাজিয়ে ২০১৩ সালেরর ডিসেম্বর মাসে ৬২৩১/২০১৩ নম্বর ভুয়া দলিল সৃজনের মাধ্যমে দুটি জাল ওয়ারিশনামা প্রস্ততের মাধ্যমে নাম জারী হাসিল করে।পরবর্তীতে মিজানুর রহমান মেম্বার শনাক্তকারী ও গোলাম মোস্তফা চৌধুরী লিটন দাতা সেজে উল্লেখিত ভূমি ৩৭৭১/২০১৪ নম্বর জাল দলিল সৃষ্টি করে আকিজ গ্লাস ইন্ডাস্ট্রিজের নামে
এভাবে জাল দলিল তৈরীর পর ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে রাতের আঁধারে অজ্ঞাতনামা সন্ত্রাসীদের নিয়ে হামলা চালিয়ে উক্ত ভূমিতে নির্মিত ফুল ইসলামের বসত ঘরটি ভেঙে ফেলে।স্থাণীয়ভাবে গোলাম মোস্তফা চৌধুরী ও মিজান মেম্বার খুবই প্রভাবশালী হওয়ার কারনে ফুল ইসলাম সামাজিকভাবে এ ঘটনার প্রতিকার লাভে ব্যর্থ হন।আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল হওয়ায় মামলা মোকদ্দমা করে ভূমি উদ্ধারে পদক্ষেপ নিতে না পেরে হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার বরাবরে অভিযোগ দিয়েও প্রতিকার পাচ্ছেন না ফুল ইসলাম।
যোগাযোগ করা হলে মিজানুর রহমান মেম্বার জানান, সঠিক কাগজপত্র দিয়েই দলিল করা হয়েছে।এ নিয়ে সালিশ বৈঠকেও ইতিপূর্বে ফুল ইসলামের দাবি টিকে নি।
জৈন্তাবার্তা / রহমান




