গরমে ওষ্ঠাগত প্রাণ। এই গরমে মাঠে কাজ করা দায়। তাই গাছের ছায়ায় বিশ্রাম নিচ্ছেন কৃষকরা
ভাদ্রের তীব্র গরমে রীতিমতো অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে জনজীবন। সকাল থেকেই তাপমাত্রার পারদ বাড়তে শুরু করে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূর্যের তাপও বাড়তে থাকে। তাবদাহের কারণে দিনমজুর খেটে খাওয়া মানুষও।
বেশি ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন কৃষকরা । গরমের কারণে মাঠে কাজ করতে পারছেন না কৃষিকরা। কিছু সময় পরপর গাছের ছায়ায় বিশ্রাম নিতে হচ্ছে। এ কারণে চারা উত্তোলনসহ জমি আবাদ হচ্ছে কম।
ভাদ্র মাসে চৈত্র মাসের মতো খরা। এতে ধান বাঁচাতে মহা দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষক।গত কয়েকদিনের টানা রোদে শুকিয়ে গেছে আমনের জমিসহ বীজতলা।বীজতলা থেকে চারা উত্তোলনে কষ্ট হচ্ছে কৃষকদের।
সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, বীজতলায় পানি না থাকায় বালতি দিয়ে অন্য জায়গা থেকে পানি এনে চারা উত্তোলন করছেন কৃষক। অন্যদিকে রোপনের জন্য প্রস্তুত করা জমিতেও নেই পানি।
জমিতে পর্যাপ্ত পানি না থাকায় কৃষক আমন রোপা লাগাতে পারছেন না। অপেক্ষা করছেন বৃষ্টির। কিছু কিছু এলাকায় নীচু জমিতে পানি থাকলেও পরিমাণে অতি সামান্য। এখন পর্যাপ্ত বৃষ্টির দরকার। পানি না থাকায় রোপা আমন চাষে ব্যয় বাড়ছে কৃষকের।
কৃষক মুসলিম উদ্দীন বলেন, এতো গরম কখনো অনুভব করিনি। বৃষ্টি না হওয়ায় এত গরম। গরমের কারণে মাঠে ঠিকমতো কাজ করা যাচ্ছে না। টানা এক ঘণ্টা মাঠে কাজ করলে গরমে শরীর পুড়ে যাচ্ছে। বাধ্য হয়ে কাজ ফেলে রেখে গাছের তলায় বিশ্রাম নিতে হচ্ছে।
কৃষক তয়মুছ আলী বলেন, বোঝা যার এক গরমে এক বছর যার। আগে এক ঘন্টায় যে কাজ করা যেত এখন তিন ঘন্টা সেই কাজ করা যায় না।বারবার এসে ছায়ার নিচে বসতে হয় এবং পানি খেতে হয়।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রায়হান পারভেজ রনি বলেন, ভাদ্র মাসে একটু গরম থাকবে তার জন্য রূপায়িত আমন ধানের এখন পর্যন্ত ক্ষতির কোনো আশঙ্কা নেই।
ডি ডি




