প্রতীকী ছবি
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে মোবাইলকে কেন্দ্র করে ছুরিকাঘাতে হাসান আলী (৩০) নামে এক যুবককে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) রাতে উপজেলার নরসিংপুর ইউনিয়নের দ্বীনেরটুক ও সুনাইত্যা গ্রামের সংযোগস্থল সেতুতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত হাসান আলী ওই গ্রামের মো. নোয়াব আলীর পুত্র।
নিহতের পিতা নোয়াব আলী, ভাই রুশন আলী ও স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ইউনিয়নের তেরাপুর গ্রামের হোসাইন আহমদের (নেইমার) মোবাইল মেরামতের দোকানে হাসান আলীর একটি মোবাইল মেরামত করতে দেওয়া হয়। কিন্তু বেশ কয়েকদিন হয়ে গেলেও মোবাইলটি মেরামত করে দিতে পারেননি হোসাইন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় হাসান আলী ও হোসাইন আহমদের (নেইমার) মধ্যে মোবাইলকে কেন্দ্র করে তর্ক হয়। পরে বাজারে অবস্থানরত স্থানীয়রা মোবাইলটি উদ্ধার করে ফেরত দেবেন বা মেরামত করে দেবেন বলে বিষয়টি সমাধান করে দেন। পরে হাসান আলী মোবাইল নিয়ে নিজের মোটরসাইকেল চালিয়ে বাড়িতে চলে যান। রাত ১০টার দিকে মোবাইলে আসা একটি কলের সূত্র ধরে বাড়ি থেকে হেঁটে বের হন হাসান। এর কিছুক্ষণ পর দ্বীনেরটুক ও সুনাইত্যা গ্রামের সংযোগস্থল সেতুতে হঠাৎ হাসান আলীর চিৎকার শুনে তার ফুপাতো ভাই ইসলাম উদ্দিন দৌড়ে এগিয়ে গেলে দেখতে পান কয়েকজন দুষ্কৃতকারী হাসান আলীকে রক্তাক্ত অবস্থায় রেখে দৌড়ে চলে যাচ্ছে। পরবর্তীতে তার চিৎকার শুনে স্থানীয়রা হাসানকে উদ্ধার করে দোয়ারাবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে দোয়ারাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল হক জানান, যুবককে হত্যার ঘটনার সংবাদ পেয়ে তাৎক্ষণিক দোয়ারাবাজার থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে স্থানীয়দের দাবির প্রেক্ষিতে সন্দেহভাজন কয়েকজন দুষ্কৃতকারীর নাম উঠে এলে পুলিশ তাদের বাড়িতে গিয়ে কাউকে পায়নি। মরদেহের ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলে প্রকৃত খুনিদের চিহ্নিত করা সহজ হবে।
জৈন্তা বার্তা/আরআর




