ছবি: নিজস্ব
সুনামগঞ্জ পৌর শহরের ষোলঘর স্টেডিয়াম খেলার মাঠে বাণিজ্য মেলা বন্ধ দাবিতে মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শুক্রবার ( ২৭ ডিসেম্বর ) বাদ জুম্মা এই বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সুনামগঞ্জ পৌর শহরের ষোলঘর কলোনি মসজিদ থেকে মুসল্লিরা বের হয়ে তাৎক্ষণিক একটি প্রতিবাদ সভা আয়োজন করেন। প্রতিবাদ সভা শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে ষোলঘর খেলার মাঠের সামন প্রদক্ষিণ করে এবং পরে পথসভা করে শেষ হয়। অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভায় ষোলঘর কলোনি জামে মসজিদে, বনানীপাড়া মসজিদ, মোহাম্মদপুর মসজিদের ইমাম মোয়াজ্জেনসহ মুসল্লিরা ও স্থানীয় বাসিন্দারা অংশগ্রহণ করেন।
এসম বিক্ষোভ মিছিলে খেলার মাঠে মেলা নয়, খেলার মাঠে মেলা হলে প্রতিবাদ হবে দলে দলে, আবাসিক এলাকায় বাণিজ্য মেলা, মানি না - মানবো না, অ্যাকশন অ্যাকশন ষোলঘর বাসীর অ্যাকশন সহ নানা স্লোগান দেন তৌহিদী জনতা।
ষোলঘর এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা শিক্ষক লুৎফুর রহমানের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, ষোলঘর কলোনি জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা আবু তাহের মোহাম্মদ খালিদ, বনানী পাড়া জামে মসজিদের ইমাম হাফিজ মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান,মোহাম্মদপুর জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা আব্দুল ওয়াদুদ নোমান, মাওলানা মতিউর রহমান, ষোলঘর কলোনি জামে মসজিদের সিনিয়র সদস্য আব্দুল রব চৌধুরী, ষোলঘর কলোনি মসজিদের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাই, মসজিদের ক্যাশিয়ার জিয়াউর রহমান পীর, স্থানীয় এলাকার বাসিন্দা সিজাজুল ইসলাম সিরাজ, আবুল কালাম, সৈয়দ সায়ফুল, এডভোকেট মুজিবুর রহমান, এডভোকেট মাসুদুল হক সুমেল, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান নূর হোসেন প্রমুখ।
প্রতিবাদ সভায় বক্তারা বলেন, ষোলঘর একটি আবাসিক এলাকা, এখানে স্কুল, মাদ্রাসা মসজিদ রয়েছে, এটি একটি খেলার মাঠ এখানে কোনো ভাবেই বাণিজ্য মেলা কাম্য নয়। আমরা দেখেছি প্রতি বছর এখানে মেলার আড়ালে চলে অশ্লীল নৃত্য, উচ্চস্বরে মাইক ও সাউন্ড বক্সে সড়ক জ্যাম ইত্যাদি এলাকার পরিবেশ বিনষ্ট হয়। এখানে মেলা হলে ষোলঘর, আলীপাড়া, বনানীপাড়া, বলাকা, বিলপাড়, মোহাম্মদপুরসহ আশপাশ এলাকার বাসিন্দারা চরম ভোগান্তিতে পোহাতে হয়। আমরা ষোলঘর মাঠে বাণিজ্য মেলা চাই না, ষোলঘর মাঠের মেলা অন্যত্র স্থানান্তরের দাবি তুলেন তারা৷ এসময় তারা এলাকায়বাসীর দাবি উপেক্ষা করে মেলা আয়োজন বন্ধ না করলে সাধারণ মানুষদের সাথে নিয়ে আরও কঠোর আন্দোলনের পাশাপাশি আইনী লড়াইয়ের হুশিয়ারি দেন বক্তারা।
জৈন্তাবার্তা / জারা




