ছবি : সংগৃহীত
বছর ঘুরে আবার এসেছে পবিত্র মাহে রমজান। রমজানকে সামনে রেখে প্রথম তারাবিতেই সুনামগঞ্জের মসজিদে মুসল্লিদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। কোথাও কোথাও জায়গা না পেয়ে অনেকে মসজিদের বাইরে রাস্তায় জায়নামাজ, চাদর ও পাটি , চট বিছিয়ে নামাজ আদায় করেন।
শনিবার (১ মার্চ) রাত এশার নামাজের সময় সুনামগঞ্জের বিভিন্ন মসজিদ এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। দীর্ঘ এক বছর পর আবারও মসজিদে তারাবির নামাজ আদায় করতে পেরে খুশি মুসল্লিরাও।
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, এশার নামাজ শুরুর আগে থেকেই মুসল্লিরা মসজিদে এসে সারিবদ্ধভাবে বসেছেন। মুসল্লিদের অনেকেই জায়নামাজ আর তসবিহ নিয়ে এসেছেন। অনেকে আবার নামাজের আগে নিজে আতর নিচ্ছেন এবং পরিচিতদের দিচ্ছেন। নামাজ পড়তে পাঞ্জাবি-পাজামা পড়ে বড়দের পাশাপাশি এ নামাজে এসেছে শিশুরাও।
ষোলঘর কলোনী জামে মসজিদের মুসল্লী মুদাশির হোসেন জিয়াদ বলেন, এক বছর পর কোরআনের মাস এসেছে, রোজা-নামাজের মাস এসেছে। সত্যি অনেক আনন্দ কাজ করছে। আমরা এক সাথে মামা ভাগ্না নামাজে এসেছি। আল্লাহের কাছে চাওয়া ৩০টা তারাবি ও ৩০ রোজা রাখার জন্য কবুল করুন।
সুনামগঞ্জ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের মুসল্লী হোসাইন আহমেদ বলেন, ২০ রাকাতে অনেক সময় গেলেও মনে একটা শান্তি কাজ করে। হুজুরের কন্ঠে শরীর ও মনটা ঠান্ডা হয়ে গেছে। এছাড়া এখানে অনেক মানুষের সঙ্গে একত্রে সলাত আদায় করার মধ্যে অন্যরকম একটা ভালো লাগে।
রোজার প্রথম দিন সুনামগঞ্জ জেলার সেহরির শেষ সময় ভোর ৪:৫৬ মিনিট এবং ইফতারের সময় সন্ধ্যা ৬: ০০ মিনিট। ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের কাছে রমজান সংযম, আত্মশুদ্ধি ও ত্যাগের মাস। রহমত, মাগফেরাত ও নাজাতের মাস। এই মাসে সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার থেকে বিরত থাকার মাধ্যমে রোজা পালন করেন মুসলমানরা। এছাড়া মর্যাদাবান এই মাসের শেষ অংশে রয়েছে হাজার মাসের ইবাদতের চেয়েও উত্তম কদরের রাত। সবশেষ এক মাসের সিয়াম সাধনা শেষে মুসলমানরা উদযাপন করবেন ঈদুল ফিতর।
জৈন্তাবার্তা / এম সি




