জয়পুরহাটে বি এন পি নেতার নেতৃত্বে থানায় হা ম লা, পু লি শ সহ আ হ ত ৬
বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:২৩ PM

জয়পুরহাটে বি এন পি নেতার নেতৃত্বে থানায় হা ম লা, পু লি শ সহ আ হ ত ৬

জৈন্তা বার্তা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৯/০৩/২০২৫ ১১:৩৪:৫৬ AM

জয়পুরহাটে বি এন পি নেতার নেতৃত্বে থানায় হা ম লা, পু লি শ সহ আ হ ত ৬

ছবি : সংগৃহীত


জয়পুরহাটে চাঁদা দাবিকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতার নেতৃত্বে থানায় হামলা হয়েছে। এ ঘটনায় দুই পুলিশ সদস্যসহ ছয়জন আহত হয়েছেন। 

গতকাল মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) সন্ধ্যায় ক্ষেতলাল থানায় এ ঘটনা ঘটে। এসময় বিএনপির নেতাকর্মীরা থানা ঘেরাও করেন। পরে সেনাবাহিনী ও অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

আহতরা হলেন, ক্ষেতলাল থানার পুলিশ কনস্টেবল কাজী জাফর ও পুলিশ কনস্টেবল সুমন মিয়া, পৌর এলাকার শাখারুঞ্জ গ্রামের তোফাজ্জল হোসেন, একই গ্রামের আমিরুল ইসলাম, বগুড়ার শাহজাহানপুরের রফিক ও আব্দুল মমিন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ক্ষেতলাল পৌর এলাকার শাখারুঞ্জ গ্রামের তোফাজ্জল হোসেন নামে এক ব্যক্তি মঙ্গলবার জমি রেজিস্ট্রি করতে উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে আসেন। এসময় স্থানীয় পৌর বিএনপির ৯ নং ওয়ার্ডের সভাপতি কবির চৌধুরীর নেতৃত্বে কয়েকজন তার কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। তিনি চাঁদা দিতে না চাইলে তারা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী আশিক পার্থকে বিষয়টি জানায়। এরপর পার্থ সেখানে গিয়ে চাঁদা না দিলে দলিল রেজিস্ট্রি করতে দেওয়া হবে না বলে হুমকি দেন। তাকে বাধা দিতে গেলে তোফাজ্জলসহ তার চার আত্মীয়কে মেরে রক্তাক্ত করেন বিএনপি নেতারকর্মীরা। 

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। পুলিশ থানা থেকে তোফাজ্জলকে গুরুতর আহত অবস্থায় ক্ষেতলাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করান।

এদিকে থানায় পুলিশ হেফাজতে থাকা বাকি তিনজনকে ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশে উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী আশিক পার্থের নেতৃত্বে শতাধিক লোকজন থানায় আক্রমণ করে দায়িত্বরত দুই পুলিশ সদস্যকে আহত করে থানা অবরুদ্ধ করে। তখন পুলিশ সেনাবাহিনীকে বিষয়টি জানালে সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে এসে লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থল থেকে তিনজন ও পরে আরও দুইজনকে আটক করা হয়।

পরে খবর পেয়ে পুলিশ সুপার আব্দুল ওয়াহাবের নেতৃত্বে জেলা পুলিশের অতিরিক্ত ফোর্স, জেলা গোয়েন্দা শাখা ও কালাই থানা পুলিশের শতাধিক সদস্য থানায় অবস্থান নেন।

এ প্রসঙ্গে ক্ষেতলাল উপজেলা বিএনপির সভাপতি খালেদুল মাসুদ আঞ্জুমান বলেন, ‘দলের কেউ অপরাধ করলে তার বিরুদ্ধে দলীয় ব‍্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এ ছাড়া ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান সরকার বলেন, ‘থানায় হামলা করে পুলিশকে মারপিটের ঘটনায় মোট পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। জড়িত বাকিদের আটকের চেষ্টা চলছে।’

জৈন্তাবার্তা / সুলতানা