মাধবপুরের বুল্লা-ছাতিয়াইন সড়কে এক হাজার তালের বীজ রোপণ
বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৪০ PM

মাধবপুরের বুল্লা-ছাতিয়াইন সড়কে এক হাজার তালের বীজ রোপণ

জালাল উদ্দিন লস্কর ,মাধবপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২৭/০৮/২০২৬ ০২:৫৭:২০ PM

মাধবপুরের বুল্লা-ছাতিয়াইন সড়কে এক হাজার তালের বীজ রোপণ


হবিগঞ্জের মাধবপুরে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, সড়কের সৌন্দর্য বৃদ্ধি ও সবুজায়নের লক্ষ্যে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে মানবিক ফাউন্ডেশন বুল্লা ইউনিট। সংগঠনটির উদ্যোগে বুল্লা-ছাতিয়াইন সড়কের দুই ধারে বিভিন্ন স্থানে একদিনে প্রায় এক হাজার তালের বীজ রোপণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বুল্লা থেকে ছাতিয়াইন সড়কের বিভিন্ন স্থানে এসব তালের বীজ রোপণ করা হয়।

আয়োজকরা বলছেন, উদ্যোগটির মূল লক্ষ্য সড়কটির দুই পাশে সবুজায়ন করা এবং দীর্ঘমেয়াদে এলাকাটিকে একটি আকর্ষণীয় পর্যটন স্পট হিসেবে গড়ে তোলার সম্ভাবনা তৈরি করা।

কর্মসূচিতে আর্থিকভাবে সহযোগিতা করেন লিয়াকত, আহাদ, শাওন, রুবেল ও প্রবাসী রুবেল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাঈদ বোরহান উদ্দিন খান, জাহাঙ্গীর আলম, নজরুল ইসলাম, হাফেজ আকরাম, কামরুল, শামীম হোসেনসহ স্থানীয় আরও অনেকে।

মানবিক ফাউন্ডেশন বুল্লা ইউনিটের উদ্যোগ সম্পর্কে সাঈদ বোরহান উদ্দিন খান বলেন, বুল্লা থেকে ছাতিয়াইন সড়ককে সবুজায়ন করা এবং ভবিষ্যতে একটি পর্যটন এলাকা হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই আমাদের এই উদ্যোগ। আমরা চাই, সড়কটি একসময় সবুজে ঘেরা সুন্দর ও আকর্ষণীয় সড়ক হিসেবে পরিচিতি লাভ করুক।

তিনি আরও বলেন, সড়কের পাশে অসংখ্য কৃষিজমি রয়েছে। এ এলাকায় প্রায়ই বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। তালের গাছ বড় হলে তা পরিবেশের জন্য যেমন উপকারী হবে, তেমনি ভবিষ্যতে এলাকার মানুষও এর সুফল ভোগ করবেন। পাশাপাশি সড়কের সৌন্দর্যও বাড়বে।

তিনি বলেন, এই উদ্যোগ সফলভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে ভবিষ্যতে এলাকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে পর্যটকেরা এখানে আসতে পারেন। এতে এলাকার পরিচিতি বাড়ার পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের জন্যও নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে।

আয়োজকদের আশা, রোপণ করা তালের বীজ নিয়মিত পরিচর্যা ও সংরক্ষণ করা হলে আগামী কয়েক বছরে এসব গাছ বড় হয়ে সড়কের দুই পাশে সবুজের আবহ তৈরি করবে। একই সঙ্গে তালগাছ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে।

স্থানীয়রা বলছেন, শুধু বীজ রোপণ করলেই হবে না; রোপণ করা গাছগুলোর নিয়মিত পরিচর্যা, সেচ ও সুরক্ষার ব্যবস্থাও নিশ্চিত করতে হবে। মানবিক ফাউন্ডেশনের এ উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে বুল্লা-ছাতিয়াইন সড়কটি একটি সবুজ, নান্দনিক ও আকর্ষণীয় সড়ক হিসেবে নতুন পরিচিতি পেতে পারে।

জৈন্তাবার্তা/আরআর