সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলা সদরে অগ্নিকাণ্ডে একটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় ৪ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে। রোববার (২৩ মার্চ) সেহরির সময় পৌর এলাকার শিয়া মার্কেটে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, শনিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে হবিবপুর (দক্ষিণপাড়া) এলাকার বাসিন্দা সেবুল মিয়ার তাঁর চায়ের স্টলে তালা দিয়ে সেহরি খাওয়ার জন্য বাড়িতে যান। পরে রাত সাড়ে ৩টার দিকে আগুন লাগার সংবাদ পেয়ে তিনি ছুটে আসেন এবং স্থানীয়দের সহায়তায় আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। ততক্ষণ দোকানটি পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এতে ২টি ফ্রিজ, টিভি, নগদ টাকা, আসবাপত্র পুড়ে প্রায় ৪ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
দোকান মালিক সেবুল মিয়া বলেন, ফায়ার সার্ভিস স্টেশন থেকে আমার দোকান মাত্র ৫ মিনিটের রাস্তা। যদি ফায়ার সার্ভিস আসতো তাহলে আমার সব পুড়ে যেত না। শত্রুতা করে আমার দোকানে আগুন লাগানো হয়েছে। আমি মামলা করবো।
এদিকে, উপজেলা সদরের গুদামের সামনের সেতুটি ভেঙে নতুন সেতুর কাজ চলমান থাকায় গত দুই বছর ধরে উপজেলার উত্তর-দক্ষিণ অংশে যেতে পারে না ফায়ার সার্ভিস। বিকল্প সেতুগুলো সরু হওয়ায় ফায়ার সার্ভিসের গাড়িটি যেতে না পারায় উপজেলার উত্তর-দক্ষিণ অঞ্চলের পৌরসভার একাংশ, পাটলী, মিরপুর, সৈয়দপুর-শাহারপাড়া ও আশারকান্দি ইউনিয়নে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মানুষকে সর্বস্ব হারাতে হচ্ছে। এছাড়া সরু সড়ক দিয়েও ফায়ার সার্ভিসের গাড়িটি যেতে পারে না।
জগন্নাথপুর উপজেলা নাগরিক অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের আহ্বায়ক এম এ কাদির বলেন, শুরু থেকেই আমরা ফায়ার সার্ভিসের ছোট গাড়িটির জন্য দাবি জানিয়ে আসছি। ছোট গাড়ি না থাকায় অনেকের ঘরবাড়ি পুড়েছে। এখন তো সেতুর জন্য পুরো উপজেলার একাংশেই ফায়ার সার্ভিস যেতে পারছে না। এ উপজেলায় দ্রুত ছোট গাড়ি প্রয়োজন।
এ ব্যাপারে জগন্নাথপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সেশনের ইনচার্জ মুর্শেদ আলম বলেন, উপজেলা সদরের সরু সেতুর কারণে আমাদের গাড়ি ওই পাড়ে যেতে পারে না। ছোট গাড়ির জন্য প্রত্যেক মাসেই রিপোর্ট পাঠানো হয়।
জৈন্তা বার্তা/আরআর




