ছবি : সংগৃহীত
অকাল বন্যা ও পাহাড়ি ঢলের কবল থেকে নিরাপদে হাওরে বোরো ফসল কৃষকের গোলায় তোলতে করণীয় নির্ধারণ করেছে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসন। ধান পাকার সাথে সাথে দ্রুতই কেটে ফেলতে কৃষকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এর জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে ১ হাজার ১০০ ধান কাটার মেশিন ও প্রায় ২ লাখ শ্রমিক।
ধান কাটতে কৃষকদের সকল ধরনের সহযোগিতার পাশাপাশি বোরো ফসলের সুরক্ষা ফসলরক্ষা বাঁধের নজরদারি বাড়াতে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, পানি উন্নয়ন বোর্ড, কৃষি বিভাগকে নির্দেশনা দিয়েছেন সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মাদ ইলিয়াস মিয়া।
রবিবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে হাওরের বোরো ফসল সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে কর্তন এবং কৃষকের গোলায় তোলা পর্যায়ে করণীয় নির্ধারন সংক্রান্ত মতবিনিময় সভায় এই নির্দেশনা প্রদান করেন তিনি।
এসময় জানানো হয়, সুনামগঞ্জের বিভিন্ন হাওরে এবার ২ লাখ ২৩ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। ইতোমধ্যে জেলায় বিচ্ছন্নভাবে ধান কাটা শুরু হয়েছে। তবে পুরোদস্তর ধান কাটতে আরও সপ্তাহ দিন সময় লাগতে পারে। ১ লা বৈশাখে আনুষ্ঠানিকভাবে ধান কাটা কার্যক্রম উদ্বোধন করবে কৃষি বিভাগ ও জেলা প্রশাসন।
সভায় জানানো হয়, ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কম থাকবে। তবে ১৫-২৫ এপ্রিল পর্যন্ত ধান কর্তনের পিক আওয়ারের বৃষ্টিপাত ও উজানের ঢলের আশঙ্কা থাকায় এই সময়ের আগেই হাওরের বেশির ভাগ জমির ধান কেটে নিতে হবে। এক্ষেত্রে সরকার সংশ্লিষ্টদের সচেষ্ট থাকার পাশাপাশি রাজনৈতিক সংগঠন ও ছাত্র প্রতিনিধিদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করা হয়।
মতবিনিময় সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক( সার্বিক) সমর কুমার পাল, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী ইমদাদুর হক, জেলা কৃষি সম্প্রসারন অফিসার মোস্তফা ইকবাল আজাদ, পাবলিক প্রসিকিউটর মল্লিক মইনুদ্দিন সোহেল, জেলা জামাতের সেক্রেটার জেনারেল মনতাজুল হাসান আবেদ, সাংবাদিক পংকজ কান্তি দে, শাহজাহান চৌধুরী, শহীদ নূর আহমেদ, গিয়া চৌধুরী প্রমুখ। সভায় জেলা প্রশাসন, কৃষি বিভাগ, পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিভিন্ন পর্যায়ে কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
জৈন্তাবার্তা / মনোয়ার




