ছবি : সংগৃহীত
ছাত্র শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় আইন বিষয়ক সম্পাদক ড. আনোয়ারুল ওয়াদুদ টিপু বলেছেন, আপনার সন্তানদের উচ্চশিক্ষায় উৎসাহিত করুন প্রয়োজনে আমরা সহযোগিতা করব। আমরা চাই আপনার আমার সন্তানরা জ্ঞান বিজ্ঞানে ও নীতি নৈতিকতায় সমৃদ্ধ হোক। আমি স্বপ্ন দেখি এমন এক বাংলাদেশের যেখানে উন্নয়ন, সুশাসন এবং মানুষের সমান অধিকার নিশ্চিত হবে। এই বাংলাদেশ হবে সুখী, সমৃদ্ধ এবং শান্তিপূর্ণ। যেখানে সকল নাগরিকের মৌলিক অধিকার সুরক্ষিত থাকবে।
ড. আনোয়ারুল ওয়াদুদ টিপু স্বদেশ আগমন উপলক্ষে রোববার (৬ এপ্রিল) রাতে বড়লেখা উপজেলা জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত সদর ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে এক প্রীতি সম্মেলনে সংবর্ধিত অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, এখন সময় এসেছে নিজেদের অধিকারের দাবি তোলার। বাংলাদেশে ডিসি, সচিব ও ইউএনও নিয়োগ হোক ইসলামী ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে। আমরা চাই প্রশাসনে এমন নেতৃত্ব, যারা ইসলামের আদর্শে বিশ্বাসী হবে।
বড়লেখা-জুড়ীর এই মাটিতে আমাদের রক্ত ঝরেছে। আমাদের ভাইরা শহীদ হয়েছেন। আমাদের অনেক ভাইয়ের নির্যাতিত হয়েছেন। একসময় আমরা ছিলাম নিঃস্ব ও উপেক্ষিত। যুগে যুগে যারা দ্বীনের কাজ করেছে তারা অনেক জুলুম নির্যাতনের স্বীকার হয়েছে। এদেশে জামায়াত ইকামাতে দ্বীনের কাজ করার কারণে জুলুম-নির্যাতনের স্বীকার হয়েছে। আমাদের সন্তানদের আধুনিক জাহিলিয়াতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে ইসলামের সঠিক শিক্ষা দিয়ে বড় করতে হবে।
উপজেলা জামায়াতের আমির এমাদুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুল বাছিতের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মৌলভীবাজার-১ (বড়লেখা-জুড়ী) আসনের জামায়াতের মনোনিত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মাওলানা আমিনুল ইসলাম বলেন, বড়লেখার কৃতি সন্তান সাবেক ছাত্রনেতা ড. আনোয়ারুল ওয়াদুদ টিপু আমাদের জন্য এক নেয়ামত। ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় তিনি ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় আইন সম্পাদক ও সিলেট মহানগরের সভাপতির দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার স্বীকার হয়ে তার বিরুদ্ধে দেড় শতাধিক মামলার বোঝা চাপিয়ে দেয় স্বৈরাচার আওয়ামী সরকার। প্রতিকূল অবস্থার মাঝে থেকেও তিনি উচ্চ শিক্ষার জন্য ফিলিপাইনে পাড়ি জমান এবং সেখানে ক্রিস্টান ইউনিভার্সিটি থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন, বর্তমানে তিনি একই ইউনিভার্সিটিতে অধ্যাপক হিসেবে নিযুক্ত আছেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন শিবিরের সিলেট মহানগর সাবেক সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক ডাঃ হোসাইন আহমদ, উপজেলা যুব বিভাগের সভাপতি মুহাম্মদ কামাল উদ্দিন, পেশাজীবী বিভাগের উপজেলা সভাপতি অধ্যাপক আব্দুল মুহাইমিন, সাবেক ছাত্রনেতা ও সমাজসেবক খিজির আহমদ, জামায়াতের বড়লেখা পৌরসভা সভাপতি জুবায়ের আহমদ, শিবিরের জেলা সেক্রেটারি ফরিদ উদ্দিন, উলামা বিভাগের উপজেলা সহ-সভাপতি মুফতি জিয়াউল হক, পৌর সেক্রেটারি আব্দুস সামাদ, বড়লেখা সরকারি ডিগ্রি কলেজ শিবির সেক্রেটারি রুবেল আহমদ প্রমুখ।
জৈন্তাবার্তা / রহমান




