ছবি:নিজস্ব
দরিদ্র পরিবারের সন্তান সৈয়দ মাদাছির আলী,গ্রামের ছোট্ট একটি টিনের ঘরে পরিবারের আট সদস্যকে নিয়ে কোনরকমে দিন চলছিল তার। কিন্তু হঠাৎ করে তার জীবনে অন্ধকার নেমে এসেছে। গ্রামের সহজ-সরল মাদারিছ আলীর জীবনের চাকা থমকে যাচ্ছে চিকিৎসার অভাবে।
সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার ৭নং সৈয়দপুর শাহারপাড়া পাড়া ইউনিয়নের সৈয়দপুর হাড়িকোনা গ্রামের দিনমজুর প্যারালাইসেস আক্রান্ত মাদারিছ আলী (৬৫) সকলের সহযোগিতায় বাঁচতে চায়। দরিদ্র পরিবারের সন্তান মাদারিছ আলীর পাঁচ মাস আগে প্যারালাইসেস ধরা পড়ে। তার বিভিন্ন রোগ হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডাক্তার। দিনমজুর মাদারিছ আলী সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত অন্যের বাড়িতে কাজ করেন। নদী ও হাওরে গিয়ে মাছ মেরে যা আয় করতেন তা দিয়েই চলত আট সদস্যের পরিবার। অভাবের সংসারের মধ্যে একমাত্র উপার্জন কারী ছিলেন মাদারিছ আলী। শত কষ্ট থাকার পরেও পরিবার পরিজন নিয়ে চলছিল তার সংসার। হঠাৎ করেই অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি, ডাক্তারের শরাপন্ন হলে ডাক্তার তাকে কয়েকটি পরিক্ষা করানোর জন্য দেন, পরিক্ষা করানোর পরেই তার রোগ ধরা পড়ে। ডাক্তার রিপোর্ট দেখে তাকে জানান তার প্যারালাইসেস হয়েছে। আকাশ যেন ভেঙ্গে পড়ল মাদারিছ আলীর মাথায়। ব্যয়বহুল চিকিৎসা হচ্ছে প্যারালাইসেস। হতদরিদ্র মাদারিছ আলীর চোখে যেন অন্ধকার নেমে এসেছে। পরিবারের সদস্যরাও একমাত্র উপার্জন কারী মাদারিছ আলীর প্যারালাইসেস কথা শুনে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। ডাক্তার পরামর্শ দেন থেরাপি দেওয়ার জন্য, কিন্তু অসহায় মাদারিছ আলীর পক্ষে এই ব্যয়বহুল চিকিৎসা করা সম্ভব হচ্ছে না টাকার কারণে। পরিবারের সদস্যরাও হিমশিম খাচ্ছেন তার চিকিৎসা করাতে গিয়ে।
এ ব্যাপারে মাদারিছ আলীর সাথে কথা হলে তিনি জানান, পাঁচ মাস আগে হঠাৎ করেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন, পরিবারের সদস্যরা ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেলে ডাক্তার কয়েকটি পরিক্ষা করানোর জন্য বলেন। পরিক্ষা করানোর পর ডাক্তার রিপোর্ট দেখে তাকে জানান তার প্যারালাইসেস হয়েছে। ডাক্তার তাকে জানিয়েছে দ্রুত চিকিৎসা করতে হবে, অসহায় হওয়ায় মাদারিছ আলী থেরাপি দিতে পারছিলেন না। গ্রামবাসীর সহযোগিতায় কয়েকটি থেরাপি দেন তিনি। তার থেরাপি দেওয়া বাকি রয়েছে, কিন্তু টাকার অভাবে তিনি দিতে পারছেন না। এই থেরাপি গুলো দেওয়ার কথা বলেছেন ডাক্তার। কিন্তু দরিদ্র মাদারিছ আলীর পক্ষে এই ব্যয়বহুল চিকিৎসা করানো সম্ভব হচ্ছে না। তাই তিনি সরকার, সমাজসেবী সংগঠন, প্রবাসী এবং সমাজের বিত্তবানদের সহযোগিতার চেয়েছেন। তিনি বলেন, টাকার অভাবে তাদেরও ভালো চিকিৎসা করাতে পারছি না। তিনি কয়েকটি থেরাপি দিয়েছেন। কিন্তু বর্তমানে টাকার অভাবে এখন চিকিৎসা করাতে পারছেন না। মাদারিছ আলীকে সহযোগিতা করতে চাইলে ০১৭৯৫১৮০০৭৯ বিকাশ নাম্বারে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।
জৈন্তাবার্তা / সুলতানা




