ছবি : নিজস্ব
দুর্গোৎসবের নবমীতে মণ্ডপে মণ্ডপে ভক্তদের উপচেপড়া ভিড়। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। আলোর ঝলমল করছে পুরা জেলা। সন্ধ্যা শুরুর সঙ্গে সঙ্গেই বাহারি আলোকসজ্জায় সেজে ওঠেছে শহর ও গ্রাম গঞ্জের অলিগলি প্রতিটি সড়ক। নজরকাড়া নকশা আর রং-বেরঙের বাতি ও তোরণ দিয়ে সজ্জিত জেলা। মৌলভীবাজারে পূজামণ্ডপে হাজারো মানুষের ভিড়।

সরজমিন পূজামণ্ডপে গিয়ে দেখা যায়, করোনার কারণে দীর্ঘ ৩ বছর পর আবারো বড় পরিসরে আয়োজন করা হয়েছে পুরা জেলার প্রতিটি মন্ডপগুলো।পূজার মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরুর পর সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মণ্ডপেবারে দর্শনার্থীদের উপচেপড়া ভিড়। দর্শনার্থীরা ভিড় জমিয়ে ছবি ও সেলফি তুলছেন। কেউ আবার পূজার প্রসাদ খাচ্ছেন। কেউ কেউ অটোরিক্সা নিয়ে মন্ডপে মন্ডপে ঘুড়ে বেড়াচ্ছেন।আবার পুলিশ, র্যাব ,গোয়েন্দ সংস্থা ও আনসার বাহিনীর সদস্যদের টহল দিতে দেখা গেছে।

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মতে, মহানবমীর দিন হচ্ছে দেবী দুর্গাকে প্রাণভরে দেখে নেয়ার ক্ষণ। অগ্নি সব দেবতার যজ্ঞভাগ বহন করে যথাস্থানে পৌঁছে দিয়ে থাকেন। এদিনই দুর্গাপূজার অন্তিম দিন। আগামীকাল মঙ্গলবার দশমী বিহিত পূজা ও দর্পণ বিসর্জনের পর প্রতিমা বিসর্জনের মাধ্যমে শেষ হবে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় শারদীয় দুর্গোৎসব।
পূজা উপলক্ষে প্রতিমা দর্শনে বাসা থেকে বের হওয়া বর্ষা চক্রবর্তী রাত্রী ও পারমিতা চক্রবর্তী দিবা বলেন, দুর্গাপূজা এলে প্রায় পুরো জেলার সড়ক আলোতে ঝলমল করে ওঠে। আর সেই ঝলমলের মাঝে প্রতিমা দেখতেই পরিবারে আত্মীয়দের নিয়ে বের হয়েছি।৭ টি পূজামণ্ডপের আলোকসজ্জা ঘুরে দেখেছি অটোরিকশায় চড়ে খুব ভালো লেগেছে সত্যি অসাধারন,মন্ডপগুলো দেখে মুগ্ধ হয়েছি আমরা।
জেলা পূজা উদযাপন কমিটির সম্পাদক মহিম দে মধু জানান, জেলায় এবার ১ হাজার ৩৬টি পূজামণ্ডপ দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। এ মধ্যে সদরে ১১৭টি, বড়লেখায় ১৫৩টি, জুড়িতে ৭১টি, কুলাউড়ায় ২২২টি, কমলগঞ্জে ১৬২টি, রাজনগরে ১৩৮টি ও শ্রীমঙ্গলে ১৭৩টি পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।আগামীকাল প্রতিমা বিসর্জনের মাধ্যমে শেষ হবে শারদীয় দুর্গোৎসব।
জেলা পুলিশ সুপার মো.মনজুর রহমান জানান,পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নির্বিঘ্নে উৎসবমুখর পরিবেশে পূজা সম্পন্ন করতে সবধরনের প্রস্তুতি আছে জেলা পুলিশের।
এম সি




