কুশিয়ারার পেটে ১৭ গ্রামবাসীর সড়ক
রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ০৪:১২ PM

কুশিয়ারার পেটে ১৭ গ্রামবাসীর সড়ক

রেজুওয়ান কোরেশী, জগন্নাথপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ০২/১১/২০২৫ ০৫:৪১:০১ PM

কুশিয়ারার পেটে ১৭ গ্রামবাসীর সড়ক

সংগৃহিত


সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় কুশিয়ারা নদীর ভাঙনে মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামের পর গ্রাম। ইতোমধ্যেই রাক্ষুসে এই নদীর করাল গ্রাসে বসতবাড়ি, গ্রামীণ জনপদ, ধর্মীয় উপাসনালয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাটবাজার, রাস্তা-ঘাট ও অসংখ্য গ্রাম বিলীন হয়ে গেছে। অনেকে ভিটামাটি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছেন। এদিকে নতুন করে আবারও নদী ভাঙন শুরু হওয়ায় আতঙ্কে আছেন লোকজন।  

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, জগন্নাথপুর উপজেলার রানীগঞ্জ, আশারকান্দি ও পাইলগাঁও ইউনিয়নের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া কুশিয়ারা নদীর তাণ্ডবে দিন দিন মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামের পর গ্রাম। ইতোমধ্যে নদীর ভাঙনে অনেক প্রাচীন জনপদ নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। নদী ভাঙন রোধে মাঝেমধ্যে সরকারি বরাদ্দ পাওয়া গেলেও যৎসামান্য কাজ করে অর্থ লুটপাটের অভিযোগ রয়েছে। সাম্প্রতিককালে রানীগঞ্জের বালিশ্রী গ্রামের যাতায়াতের প্রধান গ্রামীণ সড়কটি ভাঙনের মুখে পড়েছে। দ্রুত ভাঙন রোধের পদক্ষেপ গ্রহণ করা না হলে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। সম্প্রতি ভাঙন রোধে পদক্ষেপ গ্রহণের দাবিতে ১৭ গ্রামের মানুষ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন। 

বালিশ্রী গ্রামের আশরাফুল হক বলেন,আমাদের ইউনিয়নের ১৭ টি গ্রামের মানুষের যাতায়াতের একমাত্র রাস্তা হচ্ছে বালিশ্রী সড়ক। বর্তমানে সড়কটি নদী ভাঙনের মুখে পড়েছে। দ্রুত ভাঙন রোধ করা না গেলে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে যোগাযোগ ব্যবস্থা। তিনি অভিযোগ করেন, বিগত সরকারের আমলে কুশিয়ার নদী ভাঙনে সরকারি বরাদ্দ পাওয়া গেলেও যত সামান্য কাজ করে অর্থ লুট করা হয়েছে। 

গ্রামের ইয়াবর মিয়া বলেন, রাক্ষুসে কুশিয়ারা নদীর তাণ্ডবে ইতোমধ্যে আমার ১২ বিঘা জমি বিলীন হয়ে গেছে। হারিয়েছি বসতভিটাও। এখন নতুন এলাকায় আশ্রয় নিয়েছি। নতুন করে গ্রামীণ সড়কে ভাঙনে শুরু হওয়ায় আতঙ্কে আছেন এলাকার লোকজন। 

রানীগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছদরুল ইসলাম জানালেন, অনেককাল ধরে কুশিয়ারা নদীর ভাঙনে রানীগঞ্জ, আশারকান্দি ও পাইলগাঁও ইউনিয়নের অসংখ্য রাস্তাঘাট, ঘরবাড়ি, মসজিদ, মন্দির, রাস্তা-ঘাটসহ ফসলি জমিসহ অনেক প্রাচীন নির্দশন বিলীন হয়ে গেছে। গ্রামের পর গ্রাম ভাঙনে বিলীন হয়ে মানচিত্র থেকে হারিয়ে গেছে। নতুন করে কিছু এলাকায় আবার ভাঙন শুরু হওয়ায় দুঃশ্চিন্তায় আছেন মানুষজন। 

জগন্নাথপুর উপজেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের আঞ্চলিক কার্যালয়ের দায়িত্বরত উপসহকারি প্রকৌশলী সবুজ কুমার শীল জানান, ভাঙনে রোধে ব্যবস্থা গ্রহণের পদক্ষেপের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

জৈন্তাবার্তা / সুলতানা



শীর্ষ সংবাদ:

দক্ষিণ সুরমায় ট্রাক-পিকআপ সংঘ*র্ষে নি*হত ৬ জনের পরিচয় শনাক্ত
সিলেটে সমাবেশকে কেন্দ্র করে সক্রিয় ছি*নতাইকারী চ*ক্রের ১০ সদস্য গ্রে*ফতার
দক্ষিণ সুরমায় ট্রাকের সঙ্গে পিকআপের সং-ঘর্ষ, নি-হত ৮
আজমিরীগঞ্জ-বানিয়াচং সড়কে সংস্কার শেষ না হতেই ফা-টল
গোয়াইনঘাটে ঝুলে আছে হাজারো মানুষের স্বপ্ন লালটিকির ব্রিজ
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে একক প্রার্থী দেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
টানা বৃষ্টিতে সিলেট বিভাগ জুড়ে বন্যার পদধ্বনি
মেয়র থাকতেই প্রকল্প দিয়েছিলাম, বাস্তবায়ন করেনি আওয়ামী লীগ
নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
বিএনপি কৃষকের উন্নয়নে কাজ করে: সিলেটে প্রধানমন্ত্রী