ছবি:সংগৃহীত
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) গভীর রাতে ছাতক উপজেলার সিংচাপইড় ইউনিয়নের গহরপুর গ্রামে র্যাব ও পুলিশের যৌথ অভিযান চালিয়ে রানু বেগমকে গ্রেফতার করা হয়। প্রায় দেড় ঘণ্টাব্যাপী অভিযান শেষে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে আটক করতে সক্ষম হয়।
ছাতক থানা পুলিশ জানায়, বাবুল মিয়া গ্রেফতারের পর থেকেই রানু বেগম আত্মগোপনে ছিলেন। দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর তার অবস্থান শনাক্ত করা হয়। গ্রেফতারের সময় তিনি বাড়ির বাইরে তালা ঝুলিয়ে ভেতরে অবস্থান করছিলেন বলে জানা গেছে।
ছাতক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, পরকীয়ার জের ধরেই পরিকল্পিতভাবে জিয়াউর রহমানকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় আরও কয়েকজনের সম্পৃক্ততা থাকতে পারে। তদন্তের স্বার্থে তাদেরকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।,
এর আগে, গত ২৭ অক্টোবর সুনামগঞ্জ আদালত প্রাঙ্গণ থেকে নিহতের ভাই বাবুল মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই রানু বেগমকে আটক করা হয় বলে পুলিশ জানায়।
উল্লেখ্য, গত ১০ সেপ্টেম্বর ছাতক উপজেলার সিংচাপইড় ইউনিয়নের মহদী গ্রামে প্রণব দাসের বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় জিয়াউর রহমানের (৪৫) মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত জিয়াউর রহমান গহরপুর গ্রামের মৃত ময়না মিয়ার ছেলে ছিলেন।
ঘটনার পরদিন নিহতের সৎ ভাই তাজিজুর রহমান অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে ছাতক থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে ১৩ অক্টোবর নিহতের স্ত্রী রানু বেগম সিলেট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে মামলার বাদীর বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন এবং মামলাটির পুনঃতদন্তের দাবি জানান। পরে ১৭ সেপ্টেম্বর তিনি আদালতে আলাদা মামলা করে কয়েকজন প্রবাসী ও স্থানীয় প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ আনেন।
জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ




