মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলা পরিষদের সাবেক সাঁট মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর অনুপ দাশের বিরুদ্ধে সরকারি তহবিলের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। কয়েক মাসের ব্যবধানে অফিসের চেক জালিয়াতি ও প্রতারণা করে তিনি কোটিপতি হয়েছেন বলে তথ্য মিলেছে তদন্ত প্রতিবেদনে।
মৌলভীবাজারের সাবেক জেলা প্রশাসক ইসরাইল হোসেনের পরিদর্শনে বিষয়টি ধরা পড়লে পরে তদন্ত প্রতিবেদনে প্রায় দেড় কোটি টাকা আত্মসাতের প্রমাণ মিলেছে। এ ঘটনা প্রকাশের পর থেকে অভিযুক্ত ব্যক্তি আত্মগোপন রয়েছেন।
বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, রাজনগর উপজেলার সাবেক সাঁট মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর অনুপ দাশ ২০০৯ সালে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের পর রাজনগরে নিয়োগ পান। তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে চলতি বছরের গত ১৬ সেপ্টেম্বর তাঁকে বড়লেখায় বদলি করা হয়।
বদলি হওয়ার আগে তিনি কয়েক মাসের ব্যবধানে এক কোটি ৫১ লাখ ৫১ হাজার ৪৫৫ টাকা চেক জালিয়াতি ও প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়ে গেছেন। চলতি বছরের গত ২৮ অক্টোবর রাজনগর উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শনে আসেন তৎসময়ে জেলা প্রশাসক ইসরাইল হোসেন।
অর্থ আত্মসাতের সঙ্গে মুদ্রাক্ষরিক অনুপ দাশের জড়িত থাকার বিষয়টি প্রাথমিকভাবে ধরা পড়ে। পরে জেলা প্রশাসক বিষয়টি তদন্তের জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) শাহিনা আক্তারকে দায়িত্ব দেন। তদন্তে বেরিয়ে আসে অনুপ দাশের জাল-জালিয়াতির সব তথ্য।
মৌলভীবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ও স্থানীয় সরকার বিভাগের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) শাহীনা আক্তার বলেন, তদন্তে অনুপের অনিয়মের বিষয়টি ধরা পড়েছে। এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক পরবর্তী পদক্ষেপ নেবেন।
জৈন্তা বার্তা/আরআর




