ই*রানের হা*মলায় আমিরাতে নি*হত বড়লেখার সালেহ
শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ০৬:৩৪ AM

ই*রানের হা*মলায় আমিরাতে নি*হত বড়লেখার সালেহ

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ০২/০৩/২০২৬ ০২:২৯:৪১ PM

ই*রানের হা*মলায় আমিরাতে নি*হত বড়লেখার সালেহ


সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ের আজমান শহরে ইরানের বোমা হামলার প্রাণ হারিয়েছেন মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার বাসিন্দা সালেহ আহমদ। গত শনি-বার ইফতারের পর কোনো এক সময় ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র তার গাড়িতে আঘাত করলে তিনি মারা যান।

জানা গেছে, সালেহ আহমদের বাড়ি বড়লেখার গাজিটেকা (বাঁশতলা) গ্রামে। ৩৫ বছর ধরে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে থাকছিলেন সালেহ আহমদ। দেশে এই নামে পরিচিত হলেও প্রবাসে তার নাম আহমদ আলী। গত বছর শেষবার দেশে এসেছিলেন। চার মাস আগে আবার দুবাইয়ে ফিরে যান। 

শনিবার মৃত্যুর আগে ভয়েস রেকর্ড পাঠিয়ে ভাইদেরকে বলেছিলেন রাতে তাদের সাথে কথা হবে। কিন্তু আর কথা হয়নি ভাইদের সাথে। এর আগেই প্রাণ দিতে হয় তাকে।

জানা যায়, শনিবার ইফতারের পর কোনো এক সময় ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র তার গাড়িতে আঘাত করলে তিনি মারা যান। তিনি দুবাইয়ের আজমান শহরে পানির ট্যাংকার চালাতেন। হামলার সময় তিনি পানি সরবরাহের জন্য গাড়ি নিয়ে পথে বের হয়েছিলেন। ওই শহরে তাঁর ছোট দুই ভাই জাকির হোসেন ও বোরহান আহমদও থাকেন। তাঁরাই সালেহ আহমদের মৃত্যুর খবর পরিবারকে জানান।

সালেহ'র ছোট ভাই জাকির হোসেনের স্ত্রী শেলি বেগম বলেন, গত বছর তার ভাশুর দেশে এসেছিলেন। প্রায় চার মাস আগে দুবাই ফিরে যান। ২৭ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) সবশেষ দেশে তিনি স্ত্রীর সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। পরের দিন শনিবার রাত ১০টার দিকে প্রথম তারা খবর পান যে সালেহ আহমদ বোমা হামলায় মারা গেছেন।

শেলি বেগম বলেন, ঘটনার আগে সালেহ আহমদ ভাইদের মুঠোফোনে ভয়েস রেকর্ড পাঠিয়ে বলেছিলেন, রাত ১০টার দিকে তাদের সঙ্গে আলাপ করবেন। কিন্তু তার আগেই বোমা হামলায় তিনি মারা যান।

দুবাইয়ে থাকা সালেহ'র দুই ভাই পরিবারের সদস্যদের জানান, গাড়িতে বোমা হামলার পরপরই দুবাইয়ের সেনাবাহিনীর সদস্যরা সালেহকে হাসপাতালে নিয়ে যান। তারা কফিলের (দুবাইয়ে স্থানীয় চাকরিদাতা) মাধ্যমে সালেহ আহমদের মৃত্যুর বিষয় সম্পর্কে নিশ্চিত হন। তার লাশ হাসপাতালে রাখা আছে।

জৈন্তা বার্তা/আরআর