সংগৃহিত
দেশব্যাপী বাংলা নববর্ষ উদ্যাপন উপলক্ষে সব অনুষ্ঠান সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলাসংক্রান্ত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যেখানে সভাপতিত্ব করেন জ্যেষ্ঠ সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী।
নির্দেশনা অনুযায়ী, পহেলা বৈশাখে রমনা পার্ক, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা, হাতিরঝিল ও রবীন্দ্র সরোবরসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে বিকেল ৫টার মধ্যে দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ করতে হবে এবং সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে সব আয়োজন শেষ করতে হবে।
নিরাপত্তার স্বার্থে বৈশাখী শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের মুখোশ পরে অংশ নেওয়া নিষিদ্ধ করা হয়েছে, তবে হাতে বহন করা যাবে। শোভাযাত্রা শুরু হওয়ার পর মাঝপথে কেউ যোগ দিতে পারবে না। একইসঙ্গে দেশব্যাপী ফানুস ওড়ানো, আতশবাজি ফাটানো, গ্যাস বেলুন ও ভুভুজেলা বাজানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে সিসিটিভি, ওয়াচ টাওয়ার, আর্চওয়ে বসানোসহ ডগ স্কোয়াড দিয়ে তল্লাশি চালানো হবে। ইভটিজিং, ছিনতাই ও পকেটমার রোধে সাদাপোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।
সব বড় আয়োজনস্থলে ফায়ার সার্ভিস, অ্যাম্বুলেন্স ও মেডিকেল টিম প্রস্তুত থাকবে। রমনা লেকে দুর্ঘটনা এড়াতে ডুবুরি দল মোতায়েন করা হবে।
এছাড়া, নিরাপত্তার কারণে পহেলা বৈশাখের দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি মেট্রোরেল স্টেশন বন্ধ রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে। ১৩ এপ্রিল সন্ধ্যা ৭টার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় স্টিকারবিহীন যানবাহন প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা থাকবে।
সাধারণ মানুষকে ব্যাগ, ব্যাকপ্যাক, দেশলাই বা লাইটার বহন না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। শিশুদের নিরাপত্তার জন্য তাদের সঙ্গে পরিচয়পত্র রাখারও আহ্বান জানানো হয়েছে।
পাশাপাশি, রমনা পার্ক এলাকায় ‘লস্ট অ্যান্ড ফাউন্ড সেন্টার’ স্থাপন করা হবে, যাতে হারিয়ে যাওয়া ব্যক্তি বা শিশুকে দ্রুত খুঁজে পেতে সহায়তা করা যায়।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নববর্ষ উদ্যাপনকে আনন্দঘন ও নিরাপদ রাখতে দেশব্যাপী সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
জৈন্তা বার্তা / ওয়াদুদ




