নিজস্ব
কুয়েত প্রতিনিধি :
কুয়েতের জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষাকারী বাহিনী একটি বড় ধরনের সন্ত্রাসী অর্থায়ন ও অর্থ পাচার চক্রের পরিকল্পনা সফলভাবে নস্যাৎ করেছে। এই অভিযানে এখন পর্যন্ত ২৪ জন কুয়েতি নাগরিককে গ্রে*ফতার করা হয়েছে। এছাড়া বিদেশে পালিয়ে থাকা আরও ৮ জন অভিযুক্তকে শনাক্ত করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
ধর্মীয় আবেগকে পুঁজি করে প্রতারণা:তদন্তে উঠে এসেছে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। এই চক্রটি সাধারণ মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাস ও আবেগকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করত। তারা ধর্মীয় কাজের কথা বলে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অনুদান সংগ্রহ করত। দাতারা সওয়াবের আশায় বা ভালো কাজের জন্য অর্থ দিলেও, সেই টাকা আসলে চলে যেত নিষিদ্ধ ও সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর হাতে।
নিপুণ কৌশলে অর্থ পাচার:আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে এই অপরাধী চক্রটি অত্যন্ত সুক্ষ্ম কৌশল অবলম্বন করত
ভুয়া প্রতিষ্ঠান: তারা বিভিন্ন বাণিজ্যিক ও পেশাদার প্রতিষ্ঠানকে সামনে রেখে (Front entities) মানি লন্ডারিংয়ের কাজ চালাত।
স্থল ও আকাশপথ ব্যবহার: সংগৃহীত অর্থ ধরা পড়া এড়াতে ছোট ছোট ভাগে বিভক্ত করে বিভিন্ন ব্যক্তির মাধ্যমে আকাশ ও স্থলপথে দেশের বাইরে পাচার করা হতো।
বিদেশি নির্দেশনা: পুরো নেটওয়ার্কটি দেশের বাইরে থেকে আসা বিশেষ নির্দেশনায় পরিচালিত হতো।
কঠোর আইনি পদক্ষেপ:আটককৃতদের কাছ থেকে অবৈধভাবে সংগৃহীত বিপুল পরিমাণ অর্থ উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে কয়েকজনের নাগরিকত্ব আগেই বাতিল করা হয়েছিল। কুয়েত সরকার স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, দেশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
জৈন্তাবার্তা/সুলতানা




