বন্যায় বি ধ্ব স্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বরাদ্দের অভাবে থমকে আছে সংস্কার কাজ
শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:১৬ AM

বন্যায় বি ধ্ব স্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বরাদ্দের অভাবে থমকে আছে সংস্কার কাজ

জৈন্তা বার্তা ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৬/০৪/২০২৬ ০৩:২৮:৫১ PM

বন্যায় বি ধ্ব স্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বরাদ্দের অভাবে থমকে আছে সংস্কার কাজ

সংগৃহীত


কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে ২০২৪ সালের ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ শতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দেড় বছর পরও সংস্কার হয়নি। বন্যার পানিতে বিদ্যালয়ের শ্রেণীকক্ষ, আসবাবপত্র ও শৌচাগার নষ্ট হয়ে গেছে। আবার কিছু ক্ষেত্রে অবকাঠামোও ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।বন্যার পর সংশ্লিষ্ট দপ্তরে ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যালয়গুলোর তালিকা পাঠানো হলেও বরাদ্ধ না পাওয়ায় এখনও সংস্কার হয়নি। ফলে বিদ্যালয়গুলোতে বন্যার ক্ষতচিহ্ন নিয়েই চলতে হচ্ছে পাঠদান কার্যক্রম। শিক্ষকরা দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন।

জানা যায়, ২০২৪ সালের আগস্ট মাসের শেষের দিকে মনোহরগঞ্জে বন্যা শুরু হয় এবং প্রায় দেড় মাস ধরে পানি জমে থাকে। এই বন্যায় মৎস্য ও পোল্ট্রি শিল্পের পাশাপাশি শিক্ষাখাতও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, উপজেলার ১০৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সবকটিই বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়। অধিকাংশ বিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষ জলমগ্ন হয়ে পড়ে। প্রায় দুই মাস পানির নিচে থাকার কারণে শৌচাগার, টিউবওয়েল, আসবাবপত্রসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নষ্ট হয়ে যায়। এতে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর ক্ষতি প্রায় ২ কোটি ১৫ লাখ টাকা।মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের প্রায় ৪৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেরও অধিকাংশ শ্রেণীকক্ষ ও অবকাঠামো দেড় মাসের বেশি বন্যার পানিতে থাকার কারণে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। এতে মোটরপাম্প, শৌচাগার ও আসবাবপত্র নষ্ট হয়ে যায় এবং প্রায় ২ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে।

উপজেলার লৎসর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাবুল চন্দ্র দেবনাথ বলেন, ‘বন্যার পানিতে বিদ্যালয়ের একটি টিনশেড ঘরের ৩টি শ্রেণিকক্ষ চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দীর্ঘদিন জলমগ্ন থাকায় মাটি সরে গেছে এবং বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। পানি নামার পর ভবন ও শৌচাগারে স্যাঁতসেঁতে পরিবেশ তৈরি হয়েছে, পলেস্তরা খসে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। শিক্ষার উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে দ্রুত সংস্কারের জন্য বরাদ্ধের দাবি জানাচ্ছি।’

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কাজী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর জানান, উপজেলার ১০৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সবকটিই বন্যার পানিতে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। বন্যার পর ১০১টি প্রতিষ্ঠানের তালিকা তৈরি করে সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। অন্যান্য উপজেলায় বরাদ্ধ প্রদান করা হলেও মনোহরগঞ্জের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বঞ্চিত হয়েছে।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গাজালা পারভনি রুহি বলেন, ‘ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যালয়গুলোর সংস্কারে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যহত রয়েছে। বরাদ্ধ পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় সংস্কার কাজ করা হবে।’

জৈন্তাবার্তা/সুলতানা



শীর্ষ সংবাদ:

২২ বছরেও নির্বাচিত মেয়র পায়নি আজমিরীগঞ্জ পৌরসভা
দীর্ঘস্থায়ী ও টেকসই যোগাযোগব্যবস্থা নিশ্চিতে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে: মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী
সিলেটে ট্রিপল মা*র্ডার: দ্রুতবি*চার আদা*লতে বি*চার চাইলেন সিসিক প্রশাসক
ওসমানী হাসপাতালের পাঁচ তলা থেকে লা'ফিয়ে পড়ে রোগীর মৃ'ত্যু
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল
দুর্দান্ত হাসান, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের দাপট
অ*নৈতিক প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তাহমিনাকে ছু*রিকাঘাত, বাঁ*চাতে এসে খু*ন দম্পতি
ক্রীড়া উন্নয়নে আরাফাত রহমান কোকোর অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে: সিসিক প্রশাসক
গৃহপরিচারিকার প্রেমের সম্পর্কের জে*রে রায়নগরে তিন খু*ন? গ্রেপ্তার বাবুল
মা*দকের সঙ্গে জড়িত কাউকে ছা*ড় নয়: এমপি তাহসিনা রুশদীর