সংগৃহিত
রাজশাহীতে চলন্ত ‘কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস’ ট্রেন থেকে ইঞ্জিন বিচ্ছিন্ন হয়ে জাহিদ (৪০) নামে এক রেলওয়ে ওয়েম্যান গুরুতর আহত হয়েছেন।
বুধবার (৩ জুন) দুপুর ১টা ১০মিনিটে রাজশাহী নগরীর নতুন বুধপাড়া রেলক্রসিং এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় মাথায় মারাত্মক আঘাত পাওয়ায় তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, রাজশাহী-খুলনা রুটে চলাচলকারী ‘কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস’ ট্রেনের পেছনে ঈশ্বরদী থেকে একটি অতিরিক্ত ইঞ্জিন যুক্ত করে রাজশাহীতে আনা হচ্ছিল। পথে পবা উপজেলার ভরোয়াপাড়া এলাকায় চলন্ত ট্রেনের পেছন থেকে ইঞ্জিনটি আকস্মিকভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস দ্রুতগতিতে এগিয়ে গেলেও বিচ্ছিন্ন ইঞ্জিনটি গতি জড়তার কারণে পেছনে পেছনে চলতে থাকে এবং একপর্যায়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) চারুকলা এলাকায় এসে থেমে যায়। ততক্ষণে কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস মূল ট্রেনটি নিয়ে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছে যায়। পরে ইঞ্জিনে থাকা লোকো মাস্টার (চালক) বিচ্ছিন্ন ইঞ্জিনটি পুনরায় চালু করে স্টেশনে নিয়ে যান।
গ্যাং-৬-এর ওয়েম্যান সেকেন্দার আলী জানান, ‘বিচ্ছিন্ন ইঞ্জিনটি ট্রেনের ঠিক পেছনে থাকায় বোঝা যাচ্ছিল না যে এটি খুলে গেছে। ট্রেন চলে যাওয়ার পর জাহিদ রেললাইনে ওঠামাত্র পেছন থেকে আসা ইঞ্জিনটি তাকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি মাথায় আঘাত পান। পরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ফায়ার সার্ভিসের অ্যাম্বুলেন্সে তাকে রামেক হাসপাতালে নেওয়া হয়।’
পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক ফরিদ আহমেদ বলেন, ‘কপোতাক্ষ ট্রেনের পেছনের বগির সঙ্গে একটি ইঞ্জিন সম্ভবত ঈশ্বরদী থেকে আনা হচ্ছিল। পথে ইঞ্জিনটি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। কেন এটি খুলে গেল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’
জৈন্তাবার্তা/সুলতানা




