মেঘনার জীবনে নতুন ঝ*ড়, আজ বড় পর্দায় ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’
সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৫৮ PM

মেঘনার জীবনে নতুন ঝ*ড়, আজ বড় পর্দায় ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’

জৈন্তা বার্তা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১০/০৭/২০২৬ ০৩:৫৮:৫৫ PM

মেঘনার জীবনে নতুন ঝ*ড়, আজ বড় পর্দায় ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’

সংগৃহীত


আজ মুক্তি পাচ্ছে পরিচালক কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায় নির্মিত বহুল প্রতীক্ষিত চলচ্চিত্র ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’। যেখানে গুরুত্বপূর্ণ একটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন জয়া আহসান। আর তার চরিত্রের নাম মেঘনা। ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’ চলচ্চিত্রটি মূলত ‘অর্ধাঙ্গিনী’ চলচ্চিত্রের সিকুয়্যাল। দাম্পত্যের টানাপড়েন, অতীতের ক্ষত আর সম্পর্কের জটিল মনস্তত্ত্ব এই চলচ্চিত্রের বিষয়বস্তু। কিছুদিন আগে মুক্তি পায় চলচ্চিত্রটির ট্রেলার। সেখানে দেখা যায়, ‘অর্ধাঙ্গিনী’ ছবির ধারাবাহিকতায় মেঘনা (জয়া আহসান) ও সুমনের (কৌশিক সেন) দাম্পত্যে নেমে এসেছে গভীর সংকট। বিয়ের পরও সুখের দেখা মেলে না মেঘনার জীবনে। অতীতের ছায়া, অবিশ্বাস এবং মানসিক দ্বন্দ্বে ভেঙে পড়তে থাকে তাদের সম্পর্ক। ট্রেলারের অন্যতম আবেগঘন মুহূর্তে দেখা যায়, নিজের ভেঙে পড়া সংসার বাঁচানোর আশায় সুমনের প্রাক্তন স্ত্রী শুভ্রার (চূর্ণী গঙ্গোপাধ্যায়) কাছে সাহায্য চাইতে যান মেঘনা। জয়ার চোখের পানি, অভিনয়ের পরিমিতিবোধ ও আবেগঘন সংলাপ ট্রেলারটিকে অন্য মাত্রা দিয়েছে। প্রথম কিস্তির মতো এবারও জয়া আহসান ও চূর্ণী গঙ্গোপাধ্যায়ের মুখোমুখি দৃশ্যগুলো ছবির অন্যতম আকর্ষণ। তবে এবার গল্পের সমীকরণ বদলেছে। মেঘনাকেই দেখা যাচ্ছে শুভ্রার দ্বারস্থ হতে, যা সম্পর্কের নতুন এক জটিলতার ইঙ্গিত দিচ্ছে। জয়া আহসান বলেন, ‘কৌশিকদা এবং চূর্ণীদি না থাকলে পর্দায় মেঘনা হয়ে উঠতে হয়তো পারতাম না।’ এবারের ছবিতে নতুন সংযোজন হিসেবে রয়েছেন ইন্দ্রাশীষ রায়। তার উপস্থিতি নতুন রহস্যের জন্ম দিয়েছে। তিনি কি শুধুই মেঘনার বন্ধু, নাকি তার জীবনে নতুন কোনো মোড় নিয়ে আসবেন- সেই উত্তর মিলবে সিনেমা মুক্তির পর। ২০২৩ সালে পশ্চিমবঙ্গে মুক্তি পাওয়া ‘অর্ধাঙ্গিনী’ চলচ্চিত্রটি ছিল সম্পর্কের জটিলতা, ভালোবাসা আর ব্যক্তিগত টানাপড়েনের গল্প নিয়ে। কৌশিক গাঙ্গুলি পরিচালিত ছবিটি শুধু একটি পারিবারিক গল্প নয়, বরং তিনজন মানুষের মানসিক দ্বন্দ্ব ও আবেগের ভেতরের স্তর উন্মোচন করেছিল। সেই ছবির প্রধান তিন চরিত্রে অভিনয় করেন কৌশিক সেন, চূর্ণী গাঙ্গুলি ও জয়া আহসান। গল্পের কেন্দ্রে ছিলেন সুমন (কৌশিক সেন)। তার অসুস্থতা ঘিরে আবার একসঙ্গে দেখা হয় তার সাবেক স্ত্রী শুভ্রা (চূর্ণী গাঙ্গুলি) এবং বর্তমান স্ত্রী মেঘনার (জয়া আহসান)। এক ছাদের নিচে তিনজনের এই অনিবার্য মুখোমুখি হওয়া ধীরে ধীরে রূপ নেয় এক আবেগঘন সংঘাতে; যেখানে ভালোবাসা, অভিমান, দায়িত্ব আর অতীত একে অপরের সঙ্গে জড়িয়ে যায়। সেই ছবি দর্শক ও সমালোচক উভয়ের কাছেই প্রশংসিত হয়। আর সেই সাফল্যের ধারাবাহিকতায়ই আজ মুক্তি পাচ্ছে ছবির দ্বিতীয় অধ্যায় ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’। গত বছরের জুনে সিনেমাটির দৃশ্যধারণ শুরু হয়।

নির্মাতা কৌশিক গাঙ্গুলি জানান, নতুন পর্বে গল্প এগিয়েছে প্রথম ছবির ঘটনার কয়েক বছর পরের ঘটনা থেকে। এবার কেন্দ্রবিন্দুতে একটি বিয়ে এবং তার চারপাশে জমে ওঠা সম্পর্কের পুরনো ও নতুন সমীকরণ। সেখানেই আবার মুখোমুখি হন সুমন, শুভ্রা এবং মেঘনা। তবে এবার পরিস্থিতি আরও জটিল, কারণ অতীত শুধু স্মৃতি নয়। বরং তা বর্তমানকে নিয়ন্ত্রণ করতে শুরু করে। তিনি আরও জানান, এই পর্বে চরিত্রগুলোর অনেক অজানা দিক উন্মোচিত হবে। বিশেষ করে মেঘনার সন্তান টিকলিকে ঘিরে তৈরি হবে নতুন আবেগঘন সংকট। টিকলি বড় হয়ে উঠলেও তার পরিচয় ঘিরে রয়েছে এক অনিশ্চয়তা; যা গল্পের কেন্দ্রীয় সংঘাতকে আরও তীব্র করে তোলে। ধীরে ধীরে সেই সত্য উন্মোচনের মধ্য দিয়েই তিনটি জীবনের সম্পর্ক আবারও নতুনভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হয়। আর এই ছবির অংশ হতে পেরে উচ্ছাস প্রকাশ করেন জয়া আহসান। তিনি বলেন, ‘অর্ধাঙ্গিনী ছিল খুব পরিণত একটি গল্প। সেই ছবির সিকুয়্যালের অংশ হতে পারা আমার জন্য আনন্দের। দর্শক যেভাবে প্রথম ছবিটিকে গ্রহণ করেছেন, সেই প্রত্যাশা আমাদের ওপর বড় দায়িত্ব তৈরি করেছে। আমরা চেষ্টা করেছি সেই আবেগকে আরও গভীরভাবে ফিরিয়ে দিতে।’

জৈন্তাবার্তা/সুলতানা



শীর্ষ সংবাদ:

সুনামগঞ্জে সাড়ে ৩ কোটি টাকার ভা'রতীয় শাড়ি জ'ব্দ
সিলেটে হা'ম পরিস্থিতির অবনতি, হাসপাতালে বাড়ছে রো'গীর চাপ
জকিগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃ'ষ্টে ছেলের মৃ'ত্যু, খবর শুনে মা'রা গেলেন বাবা
১ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সিলেট আসছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ
নারীশিক্ষা ও নারীর ক্ষমতায়নে গুরুত্ব দিতে হবে- সিসিক প্রশাসক
১৭ দিন অফিসে অনুপস্থিত যুবউন্নয়ন কর্মকর্তা, সেবা না পেয়ে ভোগান্তিতে মানুষ
মন্ত্রী-হুইপদের জেলাভিত্তিক দায়িত্ব বণ্টন নিয়ে প্রশ্ন, হাইকোর্টে রিট
গরমে পু'ড়ছে সিলেট, মিলেছে বৃষ্টির বার্তা
ধ্বং/সের দ্বারপ্রান্তে শতবর্ষী ঐতিহ্য জলসুখার গিরিষ বাবুর বাড়ি
২২৯ শিক্ষার্থীর জন্য ২ জন শিক্ষক, ব্যা/হত পাঠদান