বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় নরওয়ের কাছে হেরে আকস্মিক বিদায়ের পর নতুন করে স্বপ্ন বোনা শুরু করেছে ব্রাজিল। সেই ব্যর্থতার পরপরই স্কোয়াড ঢেলে সাজানোর যে আভাস দিয়েছিলেন ইতালিয়ান কোচ কার্লো আনচেলোত্তি, তার স্পষ্ট প্রতিফলন দেখা গেছে বিশ্বকাপের পর ঘোষিত প্রথম স্কোয়াডেই।
গড়ে ২৪.৪ বছর বয়সের তারুণ্যনির্ভর ২৬ সদস্যের দলে ঠাঁই পেয়েছেন ৮ জন নতুন মুখ। নতুন চেহারার সেই ‘সেলেসাও’রা আজ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়েই শুরু করছে পরবর্তী বিশ্বকাপের প্রস্তুতি।
বিশ্বকাপ ব্যর্থতার পর এটিই প্রথম আন্তর্জাতিক অ্যাসাইনমেন্ট ব্রাজিলের। নেইমারের আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের পর আনচেলোত্তির জন্য পরিবর্তন আনার পথ আরও সহজ হয়েছে।
বিশ্বকাপের ১৫ জন ফুটবলারকে ছাড়াই দল সাজিয়েছেন তিনি। বাদ পড়েছেন আলিসন বেকার, লুকাস পাকেতা, মাতেউস কুনিয়া, কাসেমিরো ও ফাবিনিওদের মতো তারকা নামগুলো।
ব্রাজিলের ঐতিহ্যবাহী আক্রমণাত্মক ও গতিশীল ফুটবলের ধারা ফিরিয়ে আনতে দেশের ঘরোয়া ক্লাবগুলো থেকেই ডাক পেয়েছেন ১০ জন ফুটবলার, যা গত ১৩ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। তবে অভিজ্ঞতার হাল ধরতে রিয়াল মাদ্রিদ ও পিএসজির পরীক্ষিত তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, রাফিনিয়া, মার্কিনিওস ও ব্রুনো গিমারেসদের স্কোয়াডে রেখেছেন আনচেলোত্তি।
নতুনদের ওপর আস্থা রেখে মিডফিল্ডার ব্রুনো গিমারেস বলেন, ‘আমাদের দেশে প্রতিনিয়ত নতুন প্রতিভার বিকাশ ঘটছে। একটি শক্ত ভিত থাকা জরুরি, যাতে কোচ নতুনদের সুযোগ দিতে পারেন। আমরা অস্ট্রেলিয়াকে সমীহ করি এবং আশা করি একটি চমৎকার ম্যাচ উপহার দিতে পারব।’
অন্যদিকে, বিশ্বকাপে শেষ বত্রিশ থেকেই বিদায় নেওয়া অস্ট্রেলিয়ার জন্যও এটিই প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ। চার দিন পর ব্রিসবেনে ব্রাজিলের বিপক্ষে আরও একটি প্রীতি ম্যাচে মুখোমুখি হবে তারা।
অধিনায়ক ম্যাট রায়ানসহ বিশ্বকাপের ১০ জন ফুটবলার নেই সকারু স্কোয়াডেও, দলে যোগ হয়েছেন ৭ জন নতুন মুখ। ৯ বছর পর ব্রাজিলের মুখোমুখি হওয়া অস্ট্রেলিয়া এর আগের ৬ দেখায় মাত্র একবারই (২০০১ সালে ১-০ ব্যবধানে) জয় পেয়েছিল, যেখানে ৪টিতেই জয় ছিল ব্রাজিলের।
জৈন্তাবার্তা/আরআর




