সুনামগঞ্জ-৫ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শামীম চৌধুরী।
দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ-৫ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেতে দীর্ঘদিন মাঠে ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমদ চৌধুরী। কিন্তু (ছাতক ও দোয়ারাবাজার) আসনটিতে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিক। কিন্তু মনোনয়নবঞ্চিত হয়ে নৌকার প্রার্থীর বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন শামীম চৌধুরী।
নির্বাচনে অংশ নিতে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর তাঁর মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাইয়ের পর বৈধ বলে ঘোষণা করেন সদ্য বিদায়ী রিটার্নিং অফিসার ও সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক দিদারে আলম মোহাম্মদ মাকসুদ চৌধুরী।
তবে গতকাল সন্ধ্যা থেকে শামীম আহমদ চৌধুরীর হলফনামার একটি কপি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। শামিম আহমদ চৌধুরী হলফনামার প্রথম পাতায় নিজের পরিচিতির অংশে পিতা-মাতার নামের পরেই একটি অংশে ‘নির্বাচনী এলাকা হইতে জাতীয় পার্টির প্রার্থীরূপে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করিতে ইচ্ছুক’ লেখা রয়েছে। হলফনামায় এই লেখাটি নিয়ে তাঁর আসনসহ জেলাজুড়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শামীম আহমদ চৌধুরী বলেন, আমি এবং আমার পরিবার আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। আমি কেনো হলফনামায় জাতীয় পার্টির কথা লিখতে যাবো। তিনি বলেন, আমার জনপ্রিয়তা দেখে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে এবং এই লেখাটা এডিটিং করে উপস্থাপন করা হয়েছে।
জানা যায়, শামিম আহমদ চৌধুরী ২০১৮ সালের নির্বাচনেও মনোনয়ন চেয়েছিলেন তখনও তিনি দলীয় মনোনয়ন থেকে ছিটকে পরে। তিনি বর্তমানে সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি জেলা আওয়ামীলীগের তথ্য ও গবেষনা বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন।
সূত্রে জানায়, এবার দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ-৫ (ছাতক দোয়ারাবাজার) আসনে বিভিন্ন দলের ১১জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতা করতে মনোনয়ন পত্র দাখিল করেন। তার মধ্যে ৩জনের মনোনয়নপত্র বাতিল ও ৮ জনের মনোনয়নপত্র প্রাথমিকভাবে বৈধ ঘোষণা করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা। তারা হলেন-আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মুহিবুর রহমান মানিক, স্বতন্ত্র প্রার্থী শামিম আহমদ চৌধুরী, জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী এড. নাজমুল হুদা হিমেল, গণফোরাম প্রার্থী আইয়ুব কমর আলী,বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি)র প্রার্থী আবু সালেহ, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি)'র প্রার্থী আজিজুল হক, জাকের পার্টির প্রার্থী শেখ ইয়াকুব আলী, বাংলাদেশ ন্যাশনালিষ্ট পার্টি (বিএনএফ)র প্রার্থী আশরাফ হোসেন।
জৈন্তাবার্তা/জেএ




