সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় বৃহত্তর শনির হাওর, মাঠিয়ান হাওর টাঙ্গুয়ার হাওর সহ বিভিন্ন হাওরে পুরোদমে চলছে বোরো ধান রোপণের কাজ। হাওর পাড়ের কৃষকদের একমাত্র বোরো ফসলকে কেন্দ্র করে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। প্রচণ্ড শীতকে উপেক্ষা করে সকাল বেলা কৃষকদের দেখা যাচ্ছে জমিতে কাজ করতে। কেউ জমিতে পানি ধরছেন,কেউ জমিতে হাল চড়াচ্ছেন, আবার কেউ কেউ চাষাবাদ করছেন।অনেকেই আবার জমিতে চারা রোপনে ব্যাস্ত সময় পার করছেন। এবৎসর জাতীয় সংসদ নির্বাচন থাকায় কিছুটা শ্রমিক সংকটে আছে কৃষকরা। কৃষকরা হাওরে ধান চাষাবাদে ব্যস্ত থাকায় স্থানীয় বাজারগুলোতে দিনের বেলা লোকজনের উপস্থিতি কম থাকলেও সন্ধায় হাওর পারের বাজারগুলো জমে উঠে।
কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজলার শনি, মাটিয়ান, মহালিয়া, আঙ্গারুলি, কানাময়া, পচাশালসহ ২৩টি ছাট বড় হাওরের ১৯ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষাবাদ করা হচ্ছে। এরমধ্যে উচ ফলনশীল বিভিন্ন জাতের ধান সবচাইতে বেশি। সরজমিন গিয়ে দেখা যায়, কৃষকরা জমিতে চারা রোপণের কাজ করছেন। আবার কেউ মাথায় করে চারা নিয়ে জমিতে রাখছেন।
শনির হাওর পারের কৃষক ইনসান মিয়া বলেন গত বছর উচ্চ ফলনশীল ধান রোপন করে ভালো ফসল পেয়েছি,এবারও চিন্তা করছি কৃষি কর্মকর্তাদের সাথে পরামর্শ করে উচ্চ ফলনশীল ধান রোপন করবো।আমি প্রতি বছরই ৬০/ থেকে ৭০ বিঘা জমিতে দান রোপন করে থাকি এবারও করবো আমি প্রতি বছর ১৩থেকে ১৪ শত মন ধান পেয়ে থাকি।
তাহিরপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ হাসান উদ-দৌলা জানান, যথা সময়ে বোরো ধান রোপণ শুরু হয়েছে উপজেলার সবকটি হাওরে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবারের ফলন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে। আমরা কৃষকদের মাঝে যথা সময়ে ধানের বীজ এবং সার দিয়েছি,আমাদের মাঠ কর্মকর্তার কৃষকদের সার্বক্ষণিক পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করছেন।
জৈন্তাবার্তা/এমকে




