ছবি : নিজস্ব
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ-৫ আসনে ভোটের মূল লড়াই নৌকা ও ঈগলের মধ্যেই হচ্ছে। প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ৯ প্রার্থী হলেও ভোট যুদ্ধে নৌকা ও ঈগল প্রতীক ছাড়া বাকীরা অনেক পিছিয়ে রয়েছেন। এ মুহুর্তে ভোটারাও আওয়ামীলীগ প্রার্থী মুহিবুর রহমান মানিকের নৌকা ও স্বতন্ত্র প্রার্থী শামীম আহমদ চৌধুরীর ঈগল প্রতীকে বিভক্ত হয়ে আছেন। নির্বাচনী উত্তাপ থাকলেও কোন সংহিশতা ছাড়াই সুষ্ট ও অবাদ নির্বাচন হওয়ার প্রত্যাশা করছেন এখানের সাধারণ মানুষ।
নির্বাচন বিশ্লেষকদের মতে ভোটারের উপস্থিতিই বদলে দিতে পারে এ আসনের জয়-পরাজয়ের হিসেব-নিকেশ। মোট ভোটারের শতকরা কত অংশ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারছেন তার উপরই নির্ভর করবে কোন প্রার্থী বিজয়ের মালা পড়বেন। জয়-পরাজয়ের সমীকরণে কাষ্টিং ভোটের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
দুটি উপজেলার একটি পৌরসভা সহ ২২টি ইউনিয়ন নিয়ে সুনামগঞ্জ-৫ আসন ঘটিত। এ আসনের ১৬৪টি কেন্দ্রে ৪ লাখ ৮৮ হাজার ৯৯ ভোটার সকাল ৮ টা থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। ছাতকের ১০৩টি কেন্দ্রে ৩ লাখ ৪ হাজার ৮৮ এবং দোয়ারায় ৬১টি কেন্দ্রে ১ লাখ ৮৪ হাজার ১১ জন ভোটার রয়েছেন। এদিকে নির্বাচন সুষ্ট ও সহিংশতা মুক্ত রাখতে ৫ স্তর বিশিষ্ট নিরাপত্তা বলয় তৈরী করা হয়েছে।
গত কদিন ধরেই আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সশস্ত্র টহল দিতে দেখা গেছে। আনসার, পুলিশ, বিজিবি, র্যাব, সেনাবাহিনী ছাড়াও মেবাইল কোর্ট এর টহল ছিল চোখে পড়ার মতো। শনিবার সকাল থেকে ব্যালট ছাড়া কেন্দ্র ওয়ারী ভোটের সরঞ্জাম পাঠানো শুরু হয়েছে। দায়িত্বশীল প্রিজাইডং, পুলিং এবং আনসাদের স্ব-স্ব কেন্দ্রে পৌছে গেছেন। দূরবর্তী কেন্দ্র গুলোতে রাতে ব্যালট পেপার পাঠানোর কথা রয়েছে। দূরবর্তী কেন্দ্র গুলোর মধ্যে ছাতকে ৬৯টি এবং দোয়ারায় ৩৮ কেন্দ্রে ৬ জানুয়ারী রাতে ব্যালট পেপার পাঠানো হবে বলে জানা গেছে। বাকী কেন্দ্র গুলোর মধ্যে ছাতকে ৩৪টি এবং দোয়ারায় ২৩টি কেন্দ্রে ৭ জানুয়ারী সকালে ব্যালট পৌছবে বলে সংশ্লষ্ট সূত্র জানিয়েছেন।
সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা, ছাতক উপজেলা নির্বাহী অফিসার গোলাম মোস্তাফা মুন্না জানান, অবাদ, সুষ্ট ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সম্পন্ন করতে প্রশাসনের সার্বিক প্রস্তুতি রয়েছে।
এম সি




