প্রতিকী ছবি
অবশেষে সুনামগঞ্জের মধ্যনগরে সংসদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণকারী কর্মকর্তারা তাদের যাতায়াত ভাতার টাকা ফেরত পেতে যাচ্ছেন। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সমর কুমার পাল ভোটগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের সাথে সভা করে এমনটি আশ্বাস দিয়েছেন। এ নিয়ে ভোটগ্রহণকারী কর্মকর্তারা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। গত বুধবার বিকেলে ভাতা বঞ্চিত ভোটগ্রহণকারী কর্মকর্তারা ইউএনও অতীশ দর্শী চাকমার বিরুদ্ধে ১০ লাখ ২৪ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে মানববন্ধনের আয়োজন করেছিলেন। পরে মধ্যনগর থানার ওসি মোহাম্মদ এমরান হোসেনের আশ্বাসে মানববন্ধন স্থগিত করা হয়।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মধ্যনগর উপজেলার ২৬টি কেন্দ্রে ২৬ জন প্রিসাইডিং, ১৬৯ জন সহকারী প্রিসাইডিং ও ৩১৭ জনসহ পোলিং কর্মকর্তাসহ মোট ৫১২ জন ভোটগ্রহণকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ওই সকল কর্মকর্তাদের জন্য জনপ্রতি ২ হাজার টাকা করে যাতায়াত ভাতা প্রদানের কথা ছিল। কিন্তু ইউএনও সকল কর্মকর্তাদের কাছ থেকে যাতায়াত ভাতার মাস্টাররোলে স্বাক্ষর নিলেও শেষ পর্যন্ত যাতায়াত ভাতা দেননি। গত মঙ্গলবার ইউএনও ওই কর্মকর্তাদের তার কার্যালয়ে ডেকে পাঠান এবং যাতায়াত ভাতার টাকা ভোটগ্রহণকারী কর্মকর্তারা পাবেন না বলে জানান। এতে ক্ষুব্ধ হন ভোট গ্রহণকারীরা।
সংশ্লিষ্টদের কাছে বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে এবং বরাদ্দ পাওয়া গেলে সেই টাকা দিয়ে দেওয়া হবে জানিয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এডিসি) সমর কুমার পাল জানান, ভোটগ্রহনকারীদের যাতায়াত ভাতার টাকা বরাদ্দ ছিল। ব্যালট পেপার ও সরঞ্জামাদি কেন্দ্রে পাঠানোর জন্য অন্যান্য জায়গার চেয়ে এখানে খরচ বেশি। পরিবহনের অতিরিক্ত খরচ মেটাতে ভোটগ্রহণকারীদের যাতায়াত ভাতার টাকা খরচ করেছেন ইউএনও।
জৈন্তাবার্তা/জেএ




