খুলনায় বিড়ালকে হত্যার উদ্দেশ্যে প্রকাশ্যে জনির গুলি।
খুলনায় হত্যার উদ্দেশ্যে জনি নামে এক যুবক প্রকাশ্যে বন্দুক দিয়ে গুলি করে বিড়ালকে আহত করেছেন।
শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৫টায় খুলনার মিউনিসিপ্যাল ট্রাংক রোড এলাকায় আল ইমরান জনি নামের এক যুবকের বন্দুক (এয়ার গান) এর গুলিতে এ বিড়াল আহত হয়।
অভিযুক্ত আল ইমরান জনি মিউনিসিপ্যাল ট্রাংক রোড এলাকার আসাদ এর পুত্র।
জানা যায়, অভিযুক্ত আল ইমরান জনির বাসার পাশেই আহত বিড়াল অন্য বিড়ালের সাথে মারামারি করে। সেই মারামারি জন্যই জনির ঘুমের অসুবিধা হয়। তার জের ধরে শনিবার বন্ধুক নিয়ে মারামারি করা বিড়ালকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করেন। তবে বিড়ালের ভাগ্য ভালো হওয়ার গুলি পায়ে লাগে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, আল ইমরান জনি প্রভাবশালী হওয়ার তার বিরুদ্ধে কেউ থানায় মামলা বা জিডি করতে ভয় পায়। তিনি বিড়ালকে গুলি করার পর বিড়ালের মালিকসহ পরিবারের লোকজনকে প্রকাশ্যে হুমকি ও মামলা দিয়ে ফাঁসিয়ে দেওয়ার ভয় দেখান। এতে করে বিড়ালের মালিক ও তার পরিবার হুমকিতে রয়েছে।
উল্লেখ্য, ‘দ্য ক্রুয়েলটি টু অ্যানিমেলস অ্যাক্ট ১৯২০’ বাতিল করে ২০১৯ সালে প্রাণিকল্যাণ আইন প্রণয়ন করে সরকার। এই আইনে প্রাণী বলতে মানুষ ছাড়া সব স্তন্যপায়ী প্রাণী, পাখি, সরীসৃপজাতীয় প্রাণী, মাছ ছাড়া অন্যান্য জলজ প্রাণী এবং সরকারি গেজেট-প্রজ্ঞাপনে ঘোষিত অন্য প্রাণীকে বোঝাবে। আইনে বলা আছে, কোনো ব্যক্তি যদি প্রাণীকে ওষুধ অথবা বিষ মেশানো খাবার খাওয়ান বা বিষ প্রাণীর দেহে প্রয়োগ করেন, এ ধরনের কাজ করার চেষ্টা করেন বা করতে সহায়তা করেন এবং এতে প্রাণীর মৃত্যু বা স্থায়ী অঙ্গহানি অথবা স্বাভাবিক আকার ও কর্মক্ষমতা নষ্ট হয়, তাহলে সেটা অপরাধ বলে গণ্য হবে। এ আইনে সাজা হিসেবে অনধিক ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার কথা বলা আছে। সর্বোচ্চ সাজা অনধিক দুই বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অনধিক ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান আছে।
জৈন্তাবার্তা/জেএ




