ছবি: সংগৃহীত
বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের দিন ফুরিয়ে আসছে। বিদায় সময়ের ব্যাপার মাত্র। সরকার গুনে গুণে আর ৩০ দিনও ক্ষমতায় থাকতে পারবে না। শেষ সময়ে এসে গদি হারানোর ভয়ে সরকার আরো বেপরোয়া হয়ে উঠছে। গণতন্ত্রকামী মানুষকে হামলা মামলা ও নির্যাতন চালিয়ে দমিয়ে রাখার ষড়যন্ত্র করছে। কিন্তু তাদের ষড়যন্ত্র সফল হবেনা। বাকশালীদের বিদায় নিতেই হবে।
সোমবার (৩১ জুলাই) বিকেলে নগরীর রেজিস্টারি মাঠে বিএনপির কেন্দ্র ঘোষিত বিক্ষোভ কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাজধানীতে বিএনপির শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচিতে পুলিশ ও আওয়ামী সন্ত্রাসীদের যৌথ হামলা, মামলা ও গ্রেফতারের প্রতিবাদে সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপি আয়োজিত জনসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, বর্তমান সরকার একটি জুয়াড়ি সরকার। বিগত দুই জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণের সঙ্গে তারা জুয়া খেলেছে। এ সরকারকে জনগণ আর চান না। গুনে গুনে আর ত্রিশ দিনও ক্ষমতায় থাকার সাধ্য নাই এ সরকারের। অচিরেই ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন ঘটবে।
মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইনের সভাপতিত্বে ও জেলা সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী ও মহানগর সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরীর যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠিত জনসমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ এনামুল হক চৌধুরী, বিএনপির কেন্দ্রীয় সিলেট বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. সাখাওয়াত হাসান জীবন, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা আব্দুর রাজ্জাক, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ডা. শাহরিয়ার হোসেন চৌধুরী ও আবুল কাহের চৌধুরী শামীম। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি এডভোকেট আশিক উদ্দিন আশুক ও মহানগর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আব্দুল কাইয়ুম জালালী পংকী। জনসমাবেশে সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপি অঙ্গ সহযোগি সংগঠনের হাজার হাজার নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
জনসমাবেশ শেষে এক বিশাল মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে চৌহাট্টা পয়েন্টে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হয়। সকাল থেকেই জেলা ও মহানগরে ১৩ উপজেলা ও ৫ টি পৌর এবং মহানগরীর ২৭ টি ওয়ার্ড থেকে খ- খ- মিছিল নিয়ে দলীয় নেতাকর্মীরা জনসমাবেশে জড়ো হন। অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীও এই জনসমাবেশে যোগ দেন।
এম সি




