হবিগঞ্জে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদ্যসের আম চাষে চমক
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৫ পূর্বাহ্ন

হবিগঞ্জে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদ্যসের আম চাষে চমক

সাখাওয়াত হোসেন টিটু, স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশিত: ১৩/০৭/২০২৪ ০৭:০২:৪৯ পূর্বাহ্ন

হবিগঞ্জে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদ্যসের আম চাষে চমক

ছবি: নিজস্ব


হবিগঞ্জে ধান চাষের জমি ভরাট করে সেখানে আম চাষ করে কৃষি বিভাগকে রীতিমতো চমকে দিয়েছেন এক অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা। যে জমি থেকে বছরে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা আয় হতো সেখানে প্রথম বছরেই প্রায় দুই লাখ টাকা আয় হয়েছে। একই জমি থেকে আগামীতে বছরে ১০-১২ লাখ কিংবা তার চেয়েও বেশি টাকা আয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। 

হবিগঞ্জ জেলা সদরের নিজামপুর ইউনিয়নের কালারচক গ্রামের বাসিন্দা মো. ইসমাইল হোসেন সেনা বাহিনীর সার্জেন্ট হিসেবে অবসরে আসেন ২০০৩ সালে। অবসরে কিছু একটা করা দরকার। এই চিন্তা থেকেই চার বছর আগে ১০৯ শতক জায়গায় আম চাষ শুরু করেন। আম্রপালি, হাড়িভাঙা, বারি-৪, বারি-১১, বারি-১২, থাই কাটিমন,হিমসাগর, কিউজিআই, গৌড়মতিসহ নানা প্রজাতির ৩৫০টি গাছ রয়েছে তার আম বাগানে। রাজশাহী, কুমিল্লা ও স্থানীয় নার্সারি থেকে তিনি আমের চারা সংগ্রহ করেছেন। নিবিড় পরিচর্যায় সম্পূর্ণ জৈব পদ্ধতিতে চাষাবাদ করে আমের বাণিজ্যিক সম্ভাবনায় সাড়া ফেলেছেন ইসমাঈল। 

সরেজমিনে বাগান ঘুরে দেখা যায়, গাছে গাছে ঝুলছে নানা রঙের বিভিন্ন আকৃতির হরেক রকম আম। কাঁচাপাকা আমে ভরে রয়েছে বাগান। কোনোটি হালকা খয়েরী, কোনোটি হালকা হলুদ কোনোটি আবার সবুজ রঙের আম। প্রতিদিন বাগান দেখতে ও আম কিনতে আসেন নানা শ্রেণি পেশার লোকজন। 

কঠিন মনোবল আর অব্যাহত পরিশ্রমে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। শতভাগ বিষমুক্ত, রসালো ও সুস্বাদু আম ভোক্তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকার রয়েছে ইসমাঈলের। তার কলেজ পড়ুয়া ছেলে খালেদ হাসান আরেফিন বাবাকে সঙ্গ দেয় বাগানের কাজে। আমের পাশাপাশি বাগানে রয়েছে লিচু, জাম, কলা, পেয়ারা, আমড়া,সফেদা, ডালিমসহ অন্যান্য ফলের সংমিশ্রণ। আম গাছের নিচে লাগানো হয়েছে ধনিয়ার চারা, যা থেকে বাগানের বাড়তি আয় হয়।

কীভাবে বাগান করার পরিকল্পনা মাথায় আসলো?- এর জবাবে ঈসমাইল বলেন, চাকরি শেষে তিনি গ্রামের বাড়িতে ফিরে আসেন। এ সময়টা কীভাবে কাজে লাগানো যায়, সেটা ভাবছিলেন তিনি। একদিন ইউটিউবে আমবাগান দেখে এর প্রতি আগ্রহ জাগে তাঁর।

পরে নিজের ধানের প্রায় ১০ ৯ শতাংশ জমিতে আমবাগান গড়ে তোলেন।

ইসমাইল আরও বলেন, ‘অনেকেই আগে থেকে অর্ডার দিয়ে রাখেন আম নেওয়ার জন্য।  আমবাজারে নিয়ে বিক্রি করতে হয় না। বাগান থেকেই মানুষ নিয়ে যান। ৮০ থেকে ১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেছেন।

হবিগঞ্জ সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ নাজিম উদ্দিন  বলেন, ঈসমাইলের বাগানের আম বিষমুক্ত। কৃষি বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী তিনি বাগান পরিচর্যা করেন।

এ আমবাগানের ফলন দেখে এখন এলাকার অনেকেই আম চাষে আগ্রহী হচ্ছেন।

জৈন্তা বার্তা / টিটু



শীর্ষ সংবাদ:

গোয়াইনঘাটে কার্তিকের বৃষ্টির জন্য হাহাকার, ৫১ ধান নিয়ে শ/ঙ্কায় কৃষক
সমাজ উন্নয়নে সামাজিক সংগঠনগুলোর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: সিসিক প্রশাসক
গোয়ালীছড়া দখলমুক্ত ও জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করবে সিসিক: প্রশাসক
জগন্নাথপুরে সংঘ/র্ষে আহত ব্যক্তির মৃ/ত্যু, নিহ/ত ২; আট/ক ৪
মজুরি দাবিতে পাঁচ চা বাগানে কর্মবিরতি, মালিকপক্ষের দাবি অর্থসংকট
ভারতীয় নাগরিকের মৃ/ত্যু, তামাবিল দিয়ে ম/রদেহ হস্তান্তর
সিসিককে আধুনিক ও জনবান্ধব প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করতে হবে - প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী
সিসিককে জনবান্ধব প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করতে হবে: সিসিক প্রশাসক
সিলেটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সিসিকের মশক নি/ধন অ/ভিযান শুরু
জৈন্তাপুরে দুই নারীকে ভা/রতে পা/চারের চেষ্টা, আ/সামি গ্রে/প্তার