ছবি: নিজস্ব
মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার ভুকশিমইল ইউনিয়নের মীরশংকর গ্রামে স্কুলপড়ুয়া মেয়ের সাথে অশালীন আচরণের প্রতিবাদ করায় বাবা মোস্তফা কামাল (৩৫) কে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ পাওয়া গেছে। তিনি এখন সিলেট এমএজি ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
লিখিত অভিযোগ থেকে জানা যায়, মোস্তফা কামালের মেয়েকে বাড়িতে এসে গৃহশিক্ষক হিসেবে পড়াতেন একই এলাকার মৃত আজম্মিল আলীর ছেলে খসরু মিয়া প্রতিদিনের মতো ৫ অক্টোবর (শনিবার) বিকেলে পড়াতে আসেন এবং খাতায় অংক লিখে দেয়ার নাম করে জড়িয়ে ধরার চেষ্টা করেন এ পর্যায়ে স্কুলছাত্রীর সাথে অশালীন আচরণ করেন। তার চিৎকারে পাশের রুমে থাকা তার মা এসে গৃহ শিক্ষক খসরু মিয়ার সাথে বাকবিতণ্ডা হয়। পরে মেয়ের বাবা বাড়িতে ফিরলে তার মা মোস্তফা কামালকে সব কিছু খুলে বলেন। কিছুক্ষণ পর এ ঘটনার জের ধরে স্থানীয় ঘাটের বাজার এলাকায় মেয়ের বাবাকে রাস্তায় একা পেয়ে খসরু মিয়া ও তার ভাই কউসর আহমদ মিলে তার উপর দেশিয় অস্ত্র নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়।হামলায় মোস্তফা কামালের মাথা ফেটে রক্তাক্ত অবস্থায় মাঠিতে লুঠিয়ে পড়েন তিনি। এক পর্যায়ে তাকে বাচাঁতে স্থানীয় নুরুল আমিন এগিয়ে আসলে তার উপর ও হামলা চালায়। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাদেরকে কুলাউড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে এলে মোস্তফা কামালের অবস্থা গুরুত্বর হওয়ায় কর্তব্যরত ডাক্তার উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
এ বিষয়ে মেয়ের মামা মুশাহিদুর রহমান বাদী হয়ে কুলাউড়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন, অভিযোগের প্রক্ষিতে কুলাউড়া থানা পুলিশ বখাটে খসরু মিয়াকে গ্রেফতার করেন।
কুলাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: গোলাম আপছার জানান, ওই দিন রাতে সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একজনকে আটক করেছে। রোববার সকালে তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। অপর আসামি পলাতক রয়েছে তাকে গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে।
জৈন্তাবার্তা / মনোয়ার




