ফাইল ছবি
নিরানন্দ দিনকালে কিছুটা আনন্দের ছোঁয়া এবং যান্ত্রিক জীবনযাত্রাকে পাশ কাটিয়ে প্রকৃতির কোলে অবগাহনের বিকল্প হচ্ছে পিকনিক। হালে পিকনিক তার খোলস পাল্টিয়ে নাম ধারণ করেছে আনন্দভ্রমণ। সেই আনন্দ ভ্রমণের মোক্ষম দিনটি ছিলো গত বৃহস্পতিবার তথা ৩০জানুয়ারি ২০২৫ইং।
নিত্যদিনের ঝক্কি ঝামেলাকে দুহাতে ঠেলে মৌলভীবাজার প্রেসক্লাবের একঝাঁক নবীন ও প্রবীণ সাংবাদিক ছুটে গিয়েছিলেন রাজনগরের মাথিউড়া চা বাগানে। দুটি পাতা একটি কুঁড়ির অথৈ বিস্তারের পাশাপাশি যেখানে আছে রাবার গাছের দৃষ্টিনন্দন বীথি এবং বিস্তীর্ণ লেইক সহ পাখপাখালির সমারোহ। মুক্ত বিহঙ্গের মতো শুধু বাসনা বিহারেই মেতে উঠেনি। এদিক সেদিক দৌড়ঝাপের খেলাধূলা তথা ফুটবল, ইনআউট, ঝুঁড়িতে বল নিক্ষেপ ও হাঁড়িভাঙ্গাও রাফেল ড্র ছিলো অনুষঙ্গ। কাঠখোট্টা সাংবাদিকদের কেউ কেউ সুরে বেসুরে গানও গেয়েছেন।
ককমোরগের সাথে আলুমিশ্রিত ঝোল তরকারি ,মাগুর মাছের সাথে সীমবিচি মিশ্রিত মছম্মন এবং টেংরা মাছ দিয়ে টমেটোর টেংগা।বাড়তি ছিলো নতুন আলুর ভর্তা। আমোদিত হয়ে সবাই রাক্ষুসের মতো খেয়েছে সবাই।
সকাল দশটা থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত আরাধ্য এই সম্মেলনে ছিলো অফুরন্ত প্রাণের হিল্লোল। মধ্যাহ্নভোজের পর বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
প্রেসক্লাব সভাপতি সিনিয়র সাংবাদিক সরওয়ার আহমদ এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট নুরুল ইসলাম শেফুল এর পরিচালনায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের হাতে পুরষ্কার তোলে দেন মৌলভীবাজার প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সিনিয়র সাংবাদিক এম এ সালাম, ছালেহ এলাহী কুটি, নুরুল ইসলাম, মাসুদ আহমেদ, শই সরকার জবলসহ প্রেসক্লাবের কার্যকরি পরিষদের নেতৃবৃন্দ ।
এই আনন্দ যাত্রায় শরীক হয়েছিলেন সিলেট বিভাগের বর্ষীয়ান সাংবাদিক এম এ সালাম, মৌসুফ এ চৌধুরী, শ. ই সরকার জবলু, নূরুল ইসলাম, মো. আব্দুল আজিজ, মামুনুর রশিদ মহসিন, সালেহ এলাহি কুটি, মাসুদ আহমেদ,সৈয়দ মহসীন পারভেজ, মোস্তাক চৌধুরী, সালাহ উদ্দিন ইবনে শিহাব, আব্দুর রব, আফরোজ আহমদ, শাহ নেওয়াজ চৌধুরী সুমন, হোসাইন আহমদ, সৈয়দ বয়তুল আলী, আবুল হায়দার মো. তরিক, ওমর ফারুক নাঈম, মো. আশরাফ আলী, পুলক পুরকায়স্থ,ফরহাদ হোসেন,এম এ কাইয়ুম সুলতান, অলী আহমদ মাহিন, রিপন মিয়া, জুলফিকার আলী ভুট্রো,আমির মিয়া, আজিজুল ইসলাম রিয়াদ,রাজন হোসেন তৌফিক, জুয়েল আহমদ,রাজনগর প্রেসক্লাবের সভাপতি আউয়াল কালাম বেগ, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান সুহেল প্রমুখ
মাথিউড়া বাগান কর্তৃপক্ষ সবাইকে বরণ করেছিলেন অকৃপণ সহযোগীতার হাত বাড়ায়ে।মাথিউড়া চা বাগানের ম্যানেজার ওমর ফারুক আনন্দ ভ্রমনে আংশগ্রহণকারী সবাইকে চা পাতার প্যাকেট উপহার দেন। আনন্দ ভ্রমনের স্থÍান নির্বাচনসহ বাগান কতৃপক্ষের সাথে সার্বক্ষনিক যোগাযোগ রেখে সহযোগিতা করেন সাংবাদিক মো. আব্দুল আজিজ। বিভিন্ন খেলাধুলা,র্যাফেল ড্রপরিচালনায় সার্বিক দায়িত্বে ছিলেন ক্রীড়া সম্পাদক ওমর ফারুক নাঈম। তাকে সহযোগিতা করেন মো. আশরাফ আলী,শাহ নেওয়াজ চৌধুরী সুমন।
জৈন্তাবার্তা / জারা




