শান্তিগঞ্জে ধানের হাসি শেষে খড়ের ব্যস্ততা
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৩ PM

শান্তিগঞ্জে ধানের হাসি শেষে খড়ের ব্যস্ততা

ছায়াদ হোসেন সবুজ, শান্তিগঞ্জ

প্রকাশিত: ১০/০৫/২০২৫ ০৯:৫৫:২২ AM

শান্তিগঞ্জে ধানের হাসি শেষে খড়ের ব্যস্ততা

ছবি: নিজস্ব


সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে সোনার ফসল ঘরে তোলার শেষ। তবু থেমে নেই কৃষকেরা। ধানের হাসি শেষ হতেই মাঠে শুরু হয়েছে খড়ের ব্যস্ততা। বর্ষা আসার আগেই যতটা সম্ভব খড় সংরক্ষণই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। এটি যেন কৃষকের পরিশ্রমের শেষ ধাপ। নতুন চাষের আগমুহ‚র্তের প্রস্তুতি। 

বর্ষায় ৬ মাস হাওরের মাঠঘাট ও গো-চারণভ‚মি পানিতে ডুবে থাকে। এসময় গবাদিপশু সবসময় গোয়ালঘরেই রাখতে হয়। তাই যুগ যুগ ধরে ধান ঘরে তোলার পর নিজ উদ্যোগে খড় সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করেন হাওরাঞ্চলের কৃষকরা। 

শান্তিগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন মাঠ ঘুরে দেখা যায়, মাঠজুড়ে ছড়িয়ে আছে খড়। এই খড় এখন কৃষকের কাছে সোনার চেয়ে কম নয়। গবাদিপশুর খাদ্য বা বিক্রির মাধ্যম হিসেবে এর চাহিদা বাড়ছে প্রতিনিয়ত। নারী-পুরুষ-শিশুরা একসাথে খড় সংগ্রহে ব্যস্ত। কেউ মাথায় বোঝা নিয়ে চলেছেন বাড়ির পথে, কেউ আবার ভ্যান দিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। 

সাংহাই হাওরের কৃষক আব্দুল কাইয়ুম বলেন, এ বছর ধান ভালো হয়েছে। ধান ওঠানোর পর এখন খড় তুলছি গরুর খাবারের জন্য। কিছু বিক্রিও করব। আগেই এসব কাজ শেষ করতে হয়, না হলে বৃষ্টিতে খড় পচে যাবে। 

শান্তিগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আহসান হাবিব বলেন, এ বছর আবহাওয়া অনুক‚লে থাকায় ধান কাটায় সুবিধা হয়েছে। কৃষকেরা সময়মতো ধান ঘরে তুলতে পেরেছেন। এখন তারা খড় সংগ্রহ ও সংরক্ষণে মনোযোগী।

জৈন্তাবার্তা / সুলতানা



শীর্ষ সংবাদ: