জগন্নাথপুরে কোরবানির ঈদ সামনে রেখে ব্যস্ত খামারিরা
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১২ PM

জগন্নাথপুরে কোরবানির ঈদ সামনে রেখে ব্যস্ত খামারিরা

রেজুওয়ান কোরেশী, জগন্নাথপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৩/০৫/২০২৫ ০১:১৩:১৩ AM

জগন্নাথপুরে কোরবানির ঈদ সামনে রেখে ব্যস্ত খামারিরা

ছবি: নিজস্ব


পবিত্র ঈদুল আজহার আর বাকি এক মাসেরও কম সময়। এই ঈদে দেশি গরুর ব্যাপক চাহিদা থাকায় সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার কৃষক ও ক্ষুদ্র খামারিরা এখন গরু পালন করছেন। কিছুটা বাড়তি লাভের আশায় সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত গরুকে গোসল করানো, খাবার দেওয়া নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন খামারিরা। সবচেয়ে ভালো দিক হলো, ক্ষতিকর ইনজেকশন ও ট্যাবলেট ব্যবহার না করে দেশীয় পদ্ধতিতে গরু মোটাতাজা করছেন খামারি ও কৃষকরা। সোমবার জগন্নাথপুর উপজেলার রসুলগঞ্জ বাজার, রানীগঞ্জ বাজার ও কেশবপুর বাজারসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র। 

জগন্নাথপুর উপজেলার সৈয়দপুর আদর্শ খামারের মালিক সৈয়দ আয়েশ মিয়া বলেন, আমি বহুদিন যাবত গরুর খামার করে আসছি। এ বছর ভালো করে প্রস্তুতি নিচ্ছি। আমার খামারে এখন দেশি গরু রয়েছে। বেশি দাম দিয়ে খাবার কিনে খাওয়ালে খুব একটা লাভবান হওয়া যাবে না। তাই গরুকে প্রাকৃতিক খাবার খাওয়াচ্ছি। 

কেশবপুর বাজারের জিনান এগ্রো ফার্মের মালিক জুলফিকার আহমেদ মনি বলেন, দেশে যদি ভারতীয় গরু না আসে তাহলে আমরা একটু লাভবান হতে পারব। সরকারের কাছে আবেদন, ঈদের আগে যাতে ভারতীয় গরু বাংলাদেশে না ঢোকে। তাহলে আমরা ছোটখাটো খামারিরা লাভবান হতে পারবো। 

গরু ব্যবসায়ী সুন্দর মিয়া জানান, কয়েক মাস ধরে তারা এলাকায় ঘুরে ঘুরে গরু কিনেছেন। ঈদের আগে খাইয়ে গরুকে হৃষ্টপুষ্ট করে বিক্রি করবেন বেশি লাভে। দেশে গরুর সংকট নেই। যে গরু আছে, তা দিয়ে চাহিদা মেটানো সম্ভব। তার আশা এবারও ভালো দাম পাবেন। 

জগন্নাথপুর উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডা. খালেদ সাইফুল্লাহ বলেন, আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে জগন্নাথপুর উপজেলায় অনেকে পারিবারিক ও বাণিজ্যিকভাবে খামার পরিচালনা করছেন। আমরা প্রাণীসম্পদ বিভাগ থেকে এই খামারগুলোতে গিয়ে ভ্যাকসিন এবং চিকিৎসা পরামর্শ দিয়ে থাকি। 


জৈন্তাবার্তা / রহমান



শীর্ষ সংবাদ: