সুনামগঞ্জে গৃহকর্মীর ঝুলন্ত লা*শ উ দ্ধা র, বাবার দাবি নির্যাতন করে হ*ত্যা
শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৫২ AM

সুনামগঞ্জে গৃহকর্মীর ঝুলন্ত লা*শ উ দ্ধা র, বাবার দাবি নির্যাতন করে হ*ত্যা

মনোয়ার চৌধুরী

প্রকাশিত: ১৪/০৫/২০২৫ ০৪:৪৩:৩২ AM

সুনামগঞ্জে গৃহকর্মীর ঝুলন্ত লা*শ উ দ্ধা র, বাবার দাবি নির্যাতন করে হ*ত্যা

ছবি: নিজস্ব


সুনামগঞ্জ পৌর শহরের বাধনপাড়া এলাকায় চম্পা বেগম (১৭) নামের এক গৃহকর্মী তরুণীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে নিহতের পরিবারের অভিযোগ বাড়ির মালিক ও তার ছেলেদের নির্যাতন করে মেয়েটিকে হত্যা করা হয়েছে।
আজ বুধবার (১৪ মে) সকালে শহরের বাধনপাড়ার সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান রেজাউল করিম নিক্কু বাড়িতে এ ঘটনাটি ঘটে। নিহত চম্পা বেগম ( ১৭ ) হলেন, জেলার দোয়ারাবাজার উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের নুরপুর গ্রামের বাদশা মিয়ার মেয়ে।

নিহত মেয়ের পরিবার ও পুলিশ সুত্রে জানা যায়, তিন বছর আগে দোয়ারাবাজার উপজেলা থেকে শহরের বাধনপাড়ায় নিক্কু চেয়ারম্যানের বাসায় কাজের জন্য আসেন। দের বছরের মাথায় তিনি বাড়িতে ফিরে যান। এর কিছুদিন পর ফের নিক্কু চেয়ারম্যানের পরিবার চম্পা বেগমকে বাধনপাড়ার বাসায় কাজের জন্য নিয়ে আসেন। পরে দের বছর পর আজ সকালে চম্পার মরদেহ বাসার জানালার গ্রিলে ঝুলন্ত অবস্থায় প্রথম দেখতে পান ওই বাড়ির মালিকের ছেলে শুভ। তিনি প্রথমে নিহতের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেন, কিন্তু ব্যর্থ হন। পরে তিনি ঢাকায় অবস্থানরত চম্পার এক চাচাতো বোনকে বিষয়টি জানালে পরিবারের লোকজন দোয়ারাবাজার থেকে ঘটনাস্থলে আসেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহত চম্পার বাবা বাদশা মিয়া বলেন, “আমার মেয়ে চম্পা তিন বছর আগে নিক্কু চেয়ারম্যানের বাড়িতে কাজ করতে আসে। প্রথম প্রথম সে আমাদের কিছুই বলেনি। কিছুদিন পর জানায় চেয়ারম্যানের পরিবারের নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। তখন আমরা তাকে বাড়ি নিয়ে আসি। কিন্তু কয়েকদিন পর বাড়ির মালিক নিক্কু চেয়ারম্যানের অনুরোধে মেয়েকে আবার সেখানে পাঠাই। কিন্তু আজ শুনি আমার মেয়ে আর বেঁচে নেই। আমার মেয়েকে তারা নির্যাতন করে মেরে ফেলছে আমরা এর বিচার চাই।

মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সুনামগঞ্জ সদর থানার তদন্ত কর্মকর্তা মনিবুর রহমান। তিনি বলেন, “আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে এক তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছি। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন এলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

জৈন্তাবার্তা / এম সি



শীর্ষ সংবাদ: