সারাদেশে বন্ধ এলপিজি বিক্রি
শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০১:১৫ AM

সারাদেশে বন্ধ এলপিজি বিক্রি

জৈন্তা বার্তা ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৮/০১/২০২৬ ০১:০৬:৩৯ PM

সারাদেশে বন্ধ এলপিজি বিক্রি

ছবি : সংগৃহীত


সারাদেশে বৃহস্পতিবার থেকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ‍্যাস (এলপিজি) সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত সারাদেশে এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ ও বিক্রি বন্ধ রাখা হবে বলে জানিয়েছে তারা।

বুধবার এক নোটিশে এই ঘোষণা দেয় সংগঠনটি। নোটিশে বলা হয়, ৮ জানুয়ারি থেকে আমাদের ন্যায্য দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশের সকল এলপি গ্যাস বিপণন ও সরবরাহ কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। এছাড়াও সকল কোম্পানি প্ল্যান্ট থেকে গ্যাস উত্তোলন কার্যক্রম স্থগিত থাকবে।

এর আগে বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সংবাদ সম্মেলন করে সংগঠনটি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিইআরসি নতুন মূল্য সমন্বয় কার্যকর না করলে এবং ডিস্ট্রিবিউটরদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক হয়রানি ও জরিমানা বন্ধ না হলে ৮ জানুয়ারি থেকে সারা দেশে এলপিজির সরবরাহ ও বিপণন অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখা হবে। এরপর সন্ধ্যায় বিক্রি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে তারা।

এলপিজি সংকটকে ‘গুরুতর’ হিসেবে উল্লেখ করে সংবাদ সম্মেলনে তারা জানায়, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) সঙ্গে কোনো পরামর্শ ছাড়াই সরবরাহকারীদের একতরফা মূল্য সমন্বয়ের কারণে কোম্পানি, ডিস্ট্রিবিউটর ও ভোক্তারা চরম বিপাকে পড়েছেন।

সমবায় নেতারা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সাম্প্রতিক অভিযান নিয়ে সমালোচনা করে বলেন, এসব অভিযানের ফলে জনমনে আতঙ্ক বেড়েছে এবং অনেক ডিস্ট্রিবিউটর কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছেন। তারা ডিস্ট্রিবিউটরদের হয়রানি না করে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়, বিইআরসি এবং সরবরাহকারীদের সমন্বিত হস্তক্ষেপে আমদানি ও সরবরাহ সংকট নিরসনের দাবি জানান।

সমবায় সমিতি জানায়, বিইআরসি মাসে একবার দাম ঘোষণা করলেও খাতের জটিলতার কারণে কোম্পানিগুলোকে প্রায়ই একাধিকবার দাম সমন্বয় করতে হয়। এসব সমন্বয়ের পুরো চাপ ডিস্ট্রিবিউটরদের ওপর পড়ে, যা দ্রুত ন্যায্য সমাধান প্রয়োজনীয় করে তুলেছে। এ জন্য মন্ত্রণালয়, বিইআরসি, ডিস্ট্রিবিউটর অ্যাসোসিয়েশন ও সরবরাহকারীদের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি স্থায়ী কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ডিস্ট্রিবিউটর কমিশন ৫০–৮০ টাকা এবং খুচরা বিক্রেতা কমিশন ৪৫–৭০ টাকা বাড়িয়ে প্রতি সিলিন্ডারে মোট ১৫০ টাকা করার দাবি জানানো হয়।

বর্তমানে প্রায় ২৭টি কোম্পানির বাজারজাত করা প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ এলপিজি সিলিন্ডারের মধ্যে মাত্র ১ কোটি ২৫ লাখ সিলিন্ডার রিফিল হচ্ছে, যা মোট চাহিদার প্রায় ৪০ শতাংশ। ফলে মোট পরিচালন ব্যয়ের ৪০ শতাংশের বেশি ডিস্ট্রিবিউটরদের বহন করতে হচ্ছে, যা মূল্য বৃদ্ধির অন্যতম কারণ বলে জানানো হয়।

এছাড়া নিষ্ক্রিয় কোম্পানিগুলোর ডিস্ট্রিবিউটররা সিলিন্ডার রিফিল করতে না পারায় দেউলিয়া হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন বলে সতর্ক করে সমবায়টি। এসব সিলিন্ডার সুরক্ষা ও নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।

জৈন্তা বার্তা/আরআর



শীর্ষ সংবাদ:

রায়নগর ট্রিপল হ*ত্যাকা*ণ্ড: সম্পত্তি বি*রোধের অ*ভিযোগ, ত*দন্তে নতুন প্রশ্ন
সুস্থ সংস্কৃতিচর্চা সমাজকে আলোকিত ও মানবিক করে: সিসিক প্রশাসক
বিয়ানীবাজারে ঘরের দরজা খুলে মিলল গৃহবধূর ম*রদে*হ
বালাগঞ্জে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে ব্যবসায়ীর লা*শ উ*দ্ধার
সাত্তার দম্পতির দা*ফন সম্পন্ন, মা*মলা করবেন যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী ছেলে
হা'মের উ'পসর্গে সিলেটে আরও দুই শিশুর মৃ'ত্যু
জৈন্তাপুরে পিকআপ উ'ল্টে যুবক নি'হত
২২ বছরেও নির্বাচিত মেয়র পায়নি আজমিরীগঞ্জ পৌরসভা
দীর্ঘস্থায়ী ও টেকসই যোগাযোগব্যবস্থা নিশ্চিতে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে: মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী
সিলেটে ট্রিপল মা*র্ডার: দ্রুতবি*চার আদা*লতে বি*চার চাইলেন সিসিক প্রশাসক