প্রবাসী অভিভাবকের হাতে শিক্ষক লা ঞ্ছি ত
শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১১:০১ PM

প্রবাসী অভিভাবকের হাতে শিক্ষক লা ঞ্ছি ত

রেজুওয়ান কোরেশী, জগন্নাথপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৫/০১/২০২৬ ০৫:০৮:১৪ PM

প্রবাসী অভিভাবকের হাতে শিক্ষক লা ঞ্ছি ত

সংগৃহিত


সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে শিক্ষার্থীকে শাসন করার অপরাধে যুক্তরাজ্য প্রবাসী এক অভিভাবকের হাতে চার বছর পর লাঞ্ছিত হয়েছেন এক শিক্ষক। এ ঘটনায় এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। নিরাপত্তাহীন শিক্ষক জগন্নাথপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন।পুলিশ এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগী শিক্ষক জানান, উপজেলার সৈয়দপুর শাহারপাড়া ইউনিয়নের সৈয়দপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক দিলীপ চন্দ্র দাস ২০২২ সালে দশম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী দিদার হোসেন (১৯) কে পরীক্ষা চলাকালে অসৎ উপায় অবলম্বনের চেষ্টাকালে বাধা প্রদান করে শিক্ষার্থীকে মৌখিক শাসন করেন।

এ ঘটনায় পরদিন ওই শিক্ষকের পিতা সৈয়দপুর মল্লিকপাড়া এলাকার বাসিন্দা  যুক্তরাজ্য প্রবাসী দুদু মিয়া বিদ্যালয়ে এসে শিক্ষকের সঙ্গে দুব্যবহার করেন। পরে এলাকার লোকজনের মধ্যস্থতায় বিষয়টি আপোষে নিস্পত্তি হয়, তিনি ফিরে যান যুক্তরাজ্যে। সম্প্রতি তিনি দেশে আসেন। গত ৪ জানুয়ারি শিক্ষক দিলীপ চন্দ্র দাস বিদ্যালয়ে যাওয়ার  পথে  ওই শিক্ষার্থীর বাবা দুদু মিয়া তাঁর বাড়ির সামনে মল্লিকপাড়া পয়েন্টে শিক্ষক দিলীপ চন্দ্র দাস কে পেয়ে ‘তুই আমার ছেলেকে মারছিলেনি’ বলে শিক্ষকের শার্টের কলারে ধরে এলোপাতাড়ি  কিল ঘুষি  মারতে থাকেন। এক পর্যায়ে প্রাণনাশের উদ্দেশ্যে ইট দিয়ে আঘাত করতে উদ্যত হলে আশপাশ লোকজন এসে শিক্ষককে তার কবল থেকে উদ্ধার করে নিরাপদে বিদ্যালয়ে পৌঁছে দেন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিষয়টি এলাকাবাসীকে জানালে এলাকার লোকজন আপোষ নিস্পত্তির চেষ্টা করে। পরে ১১ জানুয়ারি এ ঘটনার বিচার দাবি করে সাবেক ও বর্তমান  শিক্ষার্থীরা মিছিল বের করলে জগন্নাথপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদেরকে বিচারের আশ্বাস দিয়ে নিবৃত্ত করে।

দিলীপ চন্দ্র দাস বলেন, চার বছর আগের ঘটনা নিস্পত্তি হওয়ার পর তিনি আমার ওপর এভাবে আক্রমণ করবেন তা আমি ভাবতে পারি নি। আমার ওপর আক্রমণের ঘটনায় আমি বাকরুদ্ধ। বর্তমানে আমি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছি। জগন্নাথপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি দায়ের করেছি।জগন্নাথপুর থানার উপ পরিদর্শক দিপংকর হালদার বলেন, শিক্ষক লাঞ্ছিতের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মিছিলের খবর পেয়ে  পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। শিক্ষক একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। পুলিশ বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছে।

জৈন্তাবার্তা/সুলতানা