সংগৃহীত
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, সরকার ক্ষমতায় আসার তিন মাসের মধ্যেই কৃষি কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ড চালু করেছে। সরকার শিগগিরই প্রবাসী কার্ডও চালু করবে । এসব কার্ডের মাধ্যমে সুবিধাভোগীরা সরাসরি আর্থিক সহায়তা পাবেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভবন নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় তালিকা প্রস্তুত করা হবে । এ বছরের মধ্যেই এসব কাজ বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হবে। একই সঙ্গে কারিগরি শিক্ষা সম্প্রসারণ, বিভিন্ন শর্ট কোর্স চালু এবং বিদেশি ভাষা শিক্ষার ব্যবস্থা করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। মৌলভীবাজারের কুলাউড়াকে সিলেট বিভাগের অন্যতম মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত তিনি বলেছেন, রাজনৈতিক সচেতনতা ও সাংগঠনিক শক্তির দিক থেকে কুলাউড়ার একটি স্বতন্ত্র অবস্থান রয়েছে। সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে এই উপজেলা উন্নয়নের রোল মডেল হতে পারে।
ঈদের পরদিন শুক্রবার (২৯ মে) বিকেলে ব্যক্তিগত সফরে কুলাউড়ায় এসে মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া) আসনের সংসদ সদস্য মো. শওকতুল ইসলামের শহরস্থ বাসভবনে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, কুলাউড়ার সঙ্গে আমার অনেক সম্পর্ক রয়েছে। সেই সূত্রে কুলাউড়ার প্রতি তাঁর আবেগ ও টান দীর্ঘদিনের। তিনি বলেন, সিলেট বিভাগের মধ্যে রাজনৈতিক চর্চা ও সচেতনতার ক্ষেত্রে কুলাউড়ার বিশেষ পরিচিতি রয়েছে। এখানে বাম রাজনীতির পাশাপাশি বিএনপিও শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া কুলাউড়ার সংগঠনের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিতেন, যার ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
কুলাউড়ার চার লেন সড়ক প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের আশ্বাস দিয়ে তিনি আরও বলেন, আমরা সবাই যদি ঐক্যবদ্ধ থাকি, তাহলে কুলাউড়া সিলেট বিভাগের একটি মডেল উপজেলা হবে। উন্নয়নের ক্ষেত্রে কুলাউড়াকে অনুসরণ করবে অন্য এলাকাগুলো।
এ সময় সংসদ সদস্য মো. শওকতুল ইসলাম কুলাউড়ার দীর্ঘদিনের উন্নয়ন বঞ্চনা দূর করতে মন্ত্রীর আন্তরিক হস্তক্ষেপ কামনা করেন। সভায় উপজেলা বিএনপির সভাপতি জয়নাল আবেদীন বাচ্চু, সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সজল, সাবেক আহবায়ক মো. রেদোয়ান খান, বহির্বিশ্ব জাতীয়তাবাদী ফোরাম কুলাউড়ার সভাপতি প্রফেসর ড. সাইফুল আলম চৌধুরীসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
জৈন্তাবার্তা/সুলতানা




