সংগৃহীত
৭৩ বছরের দীর্ঘ অংশগ্রহণের ধারায় ইতি টেনে ২০২৬ সালের মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতা থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে মিস ফ্রান্স সংস্থা। সাম্প্রতিক ব্যবস্থাপনা, নীতিগত পরিবর্তন এবং ২০২৫ আসরে দেখা দেওয়া কিছু অনিয়ম ও অস্বচ্ছতার অভিযোগকে কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।
১৯৫২ সাল থেকে নিয়মিতভাবে মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে আসছিল ফ্রান্স। তবে এবারের সিদ্ধান্তের ফলে দীর্ঘদিনের সেই ধারায় প্রথম বড় ধরনের বিরতি ঘটল।সংস্থাটি তাদের ইনস্টাগ্রাম বিবৃতিতে জানায়, ২০২৬ আসরে অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত তাদের মূল্যবোধ, পরিচয় ও অঙ্গীকার রক্ষার অবস্থান থেকে নেওয়া হয়েছে। তাদের মতে, বর্তমান প্রতিযোগিতার দিকনির্দেশনা ও পরিচালনা কাঠামোর সঙ্গে এসব মূল্যবোধ আর সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বিশেষ করে ২০২৫ সালের আসরে একাধিক সাংগঠনিক ত্রুটি ও ব্যবস্থাপনাগত অসঙ্গতি তাদের উদ্বেগ বাড়িয়েছে। তবে এটিকে চূড়ান্ত ও স্থায়ী সিদ্ধান্ত হিসেবে নয়, বরং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পর ভবিষ্যতে পুনরায় অংশগ্রহণের সম্ভাবনা খোলা রাখা হয়েছে।মিস ফ্রান্স সংস্থার প্রেসিডেন্ট ফ্রেডেরিক গিলবার্ট বলেন, মিস ইউনিভার্স সবসময়ই ফ্রান্সের জন্য আন্তর্জাতিক মঞ্চে গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ ছিল। তবে তারা নিজেদের নীতিগত অবস্থান ও স্বাতন্ত্র্য বজায় রাখাকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছেন, যার ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এদিকে ফ্রান্সের এমন সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা অঙ্গনে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে। দীর্ঘদিনের নিয়মিত অংশগ্রহণকারী একটি দেশের সরে দাঁড়ানোকে অনেকেই উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হিসেবে দেখছেন।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে ভিন্নমত দেখা গেছে। কেউ একে নীতিগতভাবে সাহসী পদক্ষেপ বলছেন, আবার কেউ মনে করছেন এটি প্রতিযোগিতাটির জন্য বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে।অন্যদিকে মিস ইউনিভার্স কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ফ্রান্সের সিদ্ধান্ত তারা অবগত হয়েছেন। পাশাপাশি ভবিষ্যতে ফ্রান্সে কার্যক্রম পরিচালনার নতুন কাঠামো নিয়ে তারা পরিকল্পনা করছে, যাতে প্ল্যাটফর্মটি আরও সংগঠিতভাবে এগিয়ে নেওয়া যায়।
জৈন্তাবার্তা/সুলতানা




